রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে শুরু হয় প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ কর্মসূচি। ‘ব্লকেড অব ইঞ্জিনিয়ার্স’ নামের এ আন্দোলনে অংশ নেয় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) সহ একাধিক প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে শাহবাগ এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
শিক্ষার্থীরা জানান, ন্যায্য তিন দফা দাবিতে তারা প্রথমে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু তা উপেক্ষিত হওয়ায় এবার তারা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন।
দাবিগুলো হলো—
১. ইঞ্জিনিয়ারিং ৯ম গ্রেডে (সহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদে) নিয়োগ কেবলমাত্র প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে হতে হবে। এ পদে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি নিশ্চিত করতে হবে। কোনোভাবেই কোটার ভিত্তিতে বা ভিন্ন নামে সমমান পদ তৈরি করে ডিপ্লোমাধারীদের পদোন্নতি দেওয়া যাবে না।
২. টেকনিক্যাল ১০ম গ্রেডে (উপ-সহকারী প্রকৌশলী বা সমমান পদে) নিয়োগ পরীক্ষা ডিপ্লোমা ও বিএসসি ডিগ্রিধারীদের জন্য সমানভাবে উন্মুক্ত রাখতে হবে।
৩. বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি ছাড়া প্রকৌশলী পদবি ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি নন-অ্যাক্রিডেটেড বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সগুলোকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আইইবি-বিএইটিইর অধীনে আনা আবশ্যক।
আরও পড়ুন : ১২০ টাকায় গরুর মাংস আমদানির খবর, যা জানালো বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
আন্দোলনকারীদের দাবি, ৯ম গ্রেডে ডিপ্লোমাধারীদের নিয়োগের উদ্যোগ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সরাসরি বঞ্চিত করছে। এতে প্রকৌশল পেশার মান ও মর্যাদা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলনের পক্ষে শিক্ষার্থীরা বলেন, “আমাদের এ আন্দোলন কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয়। আমরা চাই মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রকৌশলীদের নিয়োগ নিশ্চিত হোক। অন্যথায় প্রকৌশল খাতের মান ধরে রাখা সম্ভব হবে না।”
শিক্ষার্থীরা সতর্ক করে বলেন, দাবি পূরণ না হলে আন্দোলনের পরিধি আরও বিস্তৃত করা হবে।
ঢাকা ডেস্ক 









