আলোচিত-সমালোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদিকে অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৪ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার সিআইডির একটি বিশেষ টিম বরিশাল নগরের বাংলাবাজার এলাকায় তার মামার বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। পরে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “ঢাকার সিআইডি টিম হঠাৎ এসে তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।”
এর আগে ১৭ আগস্ট কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তারের জন্য সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছিল জুলাই রেভ্যুলেশনারি অ্যালায়েন্স (জেআরএ)। সংগঠনটির পক্ষ থেকে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করা হয়, আফ্রিদি শুধু সাম্প্রতিক সময় নয়, বরং অতীতেও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
আরও পড়ুন : হত্যা মামলায় মাই টিভির চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার
তাদের হুশিয়ারিতে বলা হয়েছিল, “আফ্রিদিকে গ্রেপ্তারের জন্য মাত্র ২৬ ঘণ্টা সময় দেওয়া হলো। কোনো নাটক নয়, সরাসরি গ্রেপ্তার করতে হবে।”
এর আগে গত ১৭ আগস্ট তৌহিদ আফ্রিদির বাবা এবং বেসরকারি টেলিভিশন মাই টিভি-এর চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন সাথীকে রাজধানীর গুলশান থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় তাকে আটক করা হয়।
গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের হওয়া ওই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান আসামি হিসেবে নাম থাকলেও তালিকায় ছিলেন আরও শীর্ষ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব। মামলার ১১ নম্বর আসামি হিসেবে তৌহিদ আফ্রিদির নাম উল্লেখ করা হয়, আর তার বাবা নাসির উদ্দিন সাথী ছিলেন ২২ নম্বরে।
মামলায় মোট ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত আরও ১৫০ জনকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
তৌহিদ আফ্রিদির গ্রেপ্তারকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে। সমালোচকদের একাংশ বলছেন, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি নানা বিতর্কে জড়িত ছিলেন। অন্যদিকে তার সমর্থকরা এই গ্রেপ্তারকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করছেন।
ঢাকা ডেস্ক 









