ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি সেনাদের সর্বশেষ আক্রমণে একদিনেই অন্তত ৬৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে মানবিক সহায়তার অপেক্ষায় থাকা ২২ জন বেসামরিক নাগরিকও রয়েছেন। একই সময়ে অনাহারে মারা গেছেন আরও আটজন।
চিকিৎসা সূত্র ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, গাজাজুড়ে টানা বিমান ও স্থল অভিযানে হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে। শনিবার সাবরা এলাকায় ট্যাংক নিয়ে প্রবেশ করেছে ইসরাইলি সেনারা, যা গাজা সিটির গভীরে প্রবেশ অভিযানের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাবরায় বিমান হামলায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া খান ইউনিসের উত্তর-পশ্চিমে বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর আশ্রয়কেন্দ্র টার্গেট করে গোলাবর্ষণ করলে ছয় শিশুসহ অন্তত ১৬ জন প্রাণ হারান।
আরও পড়ুন : গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৭১ ফিলিস্তিনি নিহত
মানবিক সহায়তা নিতে গিয়েও প্রাণ হারাতে হয়েছে অন্তত ২২ জন ফিলিস্তিনিকে। খান ইউনিসে একটি বিতরণকেন্দ্রের কাছে গুলিতে একজন নিহত হন। নেটজারিম করিডরের কাছাকাছি সাহায্যের লাইনে দাঁড়ানো আরেকজনও গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় অপুষ্টিজনিত কারণে আরও আটজন মারা গেছেন, যাদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে শুধু ক্ষুধা ও অনাহারে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮১ জনে।
গাজার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশ এক বিবৃতিতে বলেন, “এখন পর্যন্ত মৃতদের মধ্যে ১১৪ জন শিশু। ক্ষুধা প্রতিদিন নতুন করে শিশুদের জীবন কেড়ে নিচ্ছে এবং হাসপাতাল ও আশ্রয়শিবিরগুলোকে মৃত্যুপুরীতে পরিণত করছে।”
ঢাকা ডেস্ক 









