১১:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

নামাজের ভেতর মোবাইলের রিংটোন বেজে উঠলে কী নামাজ ভেঙে যাবে ?

  • রিপোর্টার
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:১৩:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫
  • 101

ছবি : সংগৃহীত

ইসলামে নামাজকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই নামাজের সময় মনোযোগপূর্ণ থাকা অপরিহার্য।অনেক মুসল্লিরই নামাজের সময় মোবাইল ফোনে হঠাৎ রিংটোন বেজে ওঠে। যা শুধু ব্যক্তিগত মনোযোগকে বিঘ্নিত করে না বরং পাশের মুসল্লিদেরও শান্তি ও একাগ্রতা নষ্ট করতে পারে।

তাই নামাজের আগে মোবাইল ফোন সাইলেন্ট বা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা উত্তম।

তবে কখনো কখনো পরিস্থিতি অনির্দেশ্য হতে পারে, এবং নামাজরত অবস্থার হঠাৎ ফোন বেজে উঠলে কীভাবে আচরণ করা উচিত এবং কীভাবে মনোযোগ পুনরায় ফিরিয়ে আনা যায়, তা জানা সকল মুসল্লির জন্য প্রয়োজনীয়।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নামাজের সময় হলে সুন্দরভাবে ওজু করে এবং একাগ্রতার সঙ্গে সুন্দরভাবে রুকু-সিজদা করে নামাজ আদায় করে, তার এ নামাজ আগের সব গুনাহের কাফফারা হয়ে যায়; যতক্ষণ পর্যন্ত না সে কোনো কবিরা গুনাহে লিপ্ত হয়। আর এ সুযোগ তার সারা জীবনের জন্য।

নামাজ পড়াবস্থায় রিংটোন বেজে ওঠে তখন কর্তব্য হলো- মোবাইলের দিকে না তাকিয়ে এক হাত দিয়ে দ্রুত বন্ধ করে দেওয়া। তা পকেটের ওপর থেকে বন্ধ করা হোক বা ভেতরে হাত দিয়ে বন্ধ করা হোক।

আরও পড়ুন : ময়মনসিংহে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম গ্রেপ্তার

নামাজ অবস্থায় মোবাইল বেজে উঠলে বন্ধ করার এটি উত্তম ব্যবস্থা; পকেট থেকে বের করে দেখে দেখে বন্ধ করলে, এক হাত দিয়ে বন্ধ করলেও নামাজ ভেঙে যাবে।

তেমনিভাবে এক হাত দিয়ে বন্ধ করতে গিয়ে যদি তিন তাসবিহ পরিমাণ সময় ব্যয় হয়ে যায়, তবুও নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে।

কারণ এ অবস্থায় কোনো আগন্তুক তাকে দেখলে সে নামাজে নেই বলেই প্রবল ধারণা করবে। কিন্তু যদি দুই হাত ব্যবহার করে কিংবা দেখে দেখে বন্ধ করে তবে নামাজ ভেঙে যাবে।

তবে না দেখে এক হাত দ্বারা দ্রুত বন্ধ করে দিলে নামাজ ভাঙবে না।

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

নামাজের ভেতর মোবাইলের রিংটোন বেজে উঠলে কী নামাজ ভেঙে যাবে ?

সর্বশেষ আপডেট : ০১:১৩:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫

ইসলামে নামাজকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই নামাজের সময় মনোযোগপূর্ণ থাকা অপরিহার্য।অনেক মুসল্লিরই নামাজের সময় মোবাইল ফোনে হঠাৎ রিংটোন বেজে ওঠে। যা শুধু ব্যক্তিগত মনোযোগকে বিঘ্নিত করে না বরং পাশের মুসল্লিদেরও শান্তি ও একাগ্রতা নষ্ট করতে পারে।

তাই নামাজের আগে মোবাইল ফোন সাইলেন্ট বা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা উত্তম।

তবে কখনো কখনো পরিস্থিতি অনির্দেশ্য হতে পারে, এবং নামাজরত অবস্থার হঠাৎ ফোন বেজে উঠলে কীভাবে আচরণ করা উচিত এবং কীভাবে মনোযোগ পুনরায় ফিরিয়ে আনা যায়, তা জানা সকল মুসল্লির জন্য প্রয়োজনীয়।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নামাজের সময় হলে সুন্দরভাবে ওজু করে এবং একাগ্রতার সঙ্গে সুন্দরভাবে রুকু-সিজদা করে নামাজ আদায় করে, তার এ নামাজ আগের সব গুনাহের কাফফারা হয়ে যায়; যতক্ষণ পর্যন্ত না সে কোনো কবিরা গুনাহে লিপ্ত হয়। আর এ সুযোগ তার সারা জীবনের জন্য।

নামাজ পড়াবস্থায় রিংটোন বেজে ওঠে তখন কর্তব্য হলো- মোবাইলের দিকে না তাকিয়ে এক হাত দিয়ে দ্রুত বন্ধ করে দেওয়া। তা পকেটের ওপর থেকে বন্ধ করা হোক বা ভেতরে হাত দিয়ে বন্ধ করা হোক।

আরও পড়ুন : ময়মনসিংহে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম গ্রেপ্তার

নামাজ অবস্থায় মোবাইল বেজে উঠলে বন্ধ করার এটি উত্তম ব্যবস্থা; পকেট থেকে বের করে দেখে দেখে বন্ধ করলে, এক হাত দিয়ে বন্ধ করলেও নামাজ ভেঙে যাবে।

তেমনিভাবে এক হাত দিয়ে বন্ধ করতে গিয়ে যদি তিন তাসবিহ পরিমাণ সময় ব্যয় হয়ে যায়, তবুও নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে।

কারণ এ অবস্থায় কোনো আগন্তুক তাকে দেখলে সে নামাজে নেই বলেই প্রবল ধারণা করবে। কিন্তু যদি দুই হাত ব্যবহার করে কিংবা দেখে দেখে বন্ধ করে তবে নামাজ ভেঙে যাবে।

তবে না দেখে এক হাত দ্বারা দ্রুত বন্ধ করে দিলে নামাজ ভাঙবে না।