মালয়েশিয়া সরকার কলিং ভিসায় দেশটি সাড়ে ২৪ লাখের বেশি কর্মী নেবে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসিউশন ইসমাইল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মালয়েশিয়ার বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশ করেছে।
মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুতিন ইসমাইল বলেন, সরকার বিদেশি কর্মী কোটার জন্য আবেদন পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তবে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট খাত এবং উপখাতের জন্য।
তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে তিনটি খাত এবং ১০টি উপখাতে এসব কর্মী নেওয়া হবে। অনুমোদিত খাতগুলি হলো কৃষি, বৃক্ষরোপণ এবং খনি, যার মধ্যে তাদের সম্পর্কিত সমস্ত উপ-খাতও রয়েছে।
উপখাতের মধ্যে পাইকারি ও খুচরা, ওয়্যারহাউজ, সিকিউরিটি, স্ক্র্যাপ ধাতু, রেস্তোরাঁ, লন্ড্রি, কার্গো হ্যান্ডলিং, পাশাপাশি ক্লিনিং সার্ভিস রয়েছে।
আরও পড়ুন : মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশী কর্মী নিয়োগে প্রতারণা, সতর্কতা
এ ছাড়া কন্সট্রাকশন সেক্টরে শুধুমাত্র সরকারি প্রকল্পের জন্য আবেদন করা যাবে, যেখানে ম্যানুফ্যাকচারিং ক্ষেত্রের অধীনে, শুধুমাত্র মালয়েশিয়ান বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অধীনে নতুন বিনিয়োগ করা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো আবেদন করতে পারবে।
এছাড়া বৃক্ষরোপণ পরিচালকরা বৃক্ষরোপণ ও পণ্য মন্ত্রণালয়ে; কৃষি পরিচালকরা কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ে; এবং রেস্তোরাঁ মালিকরা দেশীয় বাণিজ্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় মন্ত্রণালয়েও কর্মী নেওয়া হবে।
সাইফুদ্দিন নাসুতিন ইসমাইল বলেন, বৈঠকে সম্মত হয়েছে যে ২০২৫ সালের জন্য বিদেশি কর্মীদের সেক্টরাল সর্বোচ্চ সীমা ২,৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭৫৬ জন কর্মী নির্ধারণ করা হয়েছে। যৌথ কমিটি ২০২৬ সালের প্রথম বা দ্বিতীয় প্রান্তিকের মধ্যে ১০ ভাগ লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য কাজ করবে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ চার বছরের নিষেধাজ্ঞার পর ২০২২ সালের ৯ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে ৫৩ জন কর্মী পাঠানোর মাধ্যমে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হয়। মালয়েশিয়ার নতুন এই ঘোষণা বাংলাদেশিদের জন্য বিরাট সুযোগ এনে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ঢাকা ডেস্ক 









