০২:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

রাজশাহীতে একই পরিবারের ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩০:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫
  • 94

রাজশাহীর পবা উপজেলার বামুনশিকড় গ্রামে এক মর্মান্তিক ঘটনায় একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৫ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি পুরো এলাকায় শোক ও হতবাক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।

নিহতরা হলেন— মিনারুল ইসলাম (৩০), তার স্ত্রী সাধিনা বেগম (২৮), ছেলে মাহিম (১৩) এবং ১৮ মাস বয়সী মেয়ে মিথিলা। মাহিম স্থানীয় খড়খড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

আরও পড়ুন : শরীয়তপুরে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বাধায় নবজাতকের মৃত্যু

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, উত্তর দিকের ঘরে মা ও মেয়ে মৃত অবস্থায় পড়ে ছিলেন, আর দক্ষিণের ঘরে বাবা ও ছেলে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল মালেক জানান, মিনারুল পেশায় কৃষক এবং তার ওপর ঋণের বোঝা ছিল। তারা মাটির ঘরে বসবাস করতেন।

খবর পেয়ে মতিহার থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) কালাম পরভেজ বলেন, “আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, এটি আত্মহত্যা হতে পারে। তবে সঠিক কারণ জানতে তদন্ত চলছে।”

এলাকাবাসীর মতে, অর্থকষ্ট ও ঋণের চাপে এই পরিবারের মানসিক অবস্থা ভীষণ সংকটাপন্ন ছিল। তবে পুলিশ বলছে, ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

হঠাৎ চার প্রাণ ঝরে যাওয়ায় বামুনশিকড় গ্রামে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। প্রতিবেশীরা বলছেন, এমন হৃদয়বিদারক দৃশ্য তারা কখনো দেখেননি। তদন্ত শেষে পুলিশ বিস্তারিত জানাবে বলে জানিয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

রাজশাহীতে একই পরিবারের ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার

সর্বশেষ আপডেট : ১০:৩০:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫

রাজশাহীর পবা উপজেলার বামুনশিকড় গ্রামে এক মর্মান্তিক ঘটনায় একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৫ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি পুরো এলাকায় শোক ও হতবাক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।

নিহতরা হলেন— মিনারুল ইসলাম (৩০), তার স্ত্রী সাধিনা বেগম (২৮), ছেলে মাহিম (১৩) এবং ১৮ মাস বয়সী মেয়ে মিথিলা। মাহিম স্থানীয় খড়খড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

আরও পড়ুন : শরীয়তপুরে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বাধায় নবজাতকের মৃত্যু

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, উত্তর দিকের ঘরে মা ও মেয়ে মৃত অবস্থায় পড়ে ছিলেন, আর দক্ষিণের ঘরে বাবা ও ছেলে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল মালেক জানান, মিনারুল পেশায় কৃষক এবং তার ওপর ঋণের বোঝা ছিল। তারা মাটির ঘরে বসবাস করতেন।

খবর পেয়ে মতিহার থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) কালাম পরভেজ বলেন, “আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, এটি আত্মহত্যা হতে পারে। তবে সঠিক কারণ জানতে তদন্ত চলছে।”

এলাকাবাসীর মতে, অর্থকষ্ট ও ঋণের চাপে এই পরিবারের মানসিক অবস্থা ভীষণ সংকটাপন্ন ছিল। তবে পুলিশ বলছে, ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

হঠাৎ চার প্রাণ ঝরে যাওয়ায় বামুনশিকড় গ্রামে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। প্রতিবেশীরা বলছেন, এমন হৃদয়বিদারক দৃশ্য তারা কখনো দেখেননি। তদন্ত শেষে পুলিশ বিস্তারিত জানাবে বলে জানিয়েছে।