০২:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

৭ দিন পর বন্ধ হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:১৭:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫
  • 92

হ্রদের পানি নিয়ন্ত্রণে আসায় টানা সাত দিন খোলা থাকার পর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকাল পৌনে ৯টার দিকে এসব জলকপাট বন্ধ করা হয়।

গত ৫ আগস্ট রাতে হ্রদের পানি বিপদসীমায় পৌঁছালে প্রতিটি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খোলা হয়, যার মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে প্রবাহিত হয়। পরে পানি চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ধাপে ধাপে গেইট খোলার পরিমাণ বাড়ানো হয়। সর্বশেষ ৭ আগস্ট সন্ধ্যায় সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ ফুট উচ্চতায় জলকপাট খুলে দেওয়া হয়, এতে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৬৮ হাজার কিউসেক পানি নদীতে নেমে যায়।

আরও পড়ুন : তিস্তার পানি বৃদ্ধি, খুলে দেওয়া হয়েছে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪ জলকপাট

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জলকপাট বন্ধ থাকলেও কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট চালু রয়েছে, যা থেকে ২২০ থেকে ২২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। এতে প্রতি সেকেন্ডে ৩২ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলীতে অপসারিত হচ্ছে। মঙ্গলবার সকাল ৮টায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয় ১০৭.০৫ এমএসএল, যেখানে সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ এমএসএল।

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহামুদ হাসান জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বৃষ্টিপাত কমে আসায় পানির উচ্চতা হ্রাস পাচ্ছে, তাই গেইটগুলো বন্ধ করা হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে জলকপাট খোলা হবে কিনা, তা নির্ভর করবে হ্রদের পানির স্তর বৃদ্ধির ওপর।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

৭ দিন পর বন্ধ হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট

সর্বশেষ আপডেট : ০১:১৭:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫

হ্রদের পানি নিয়ন্ত্রণে আসায় টানা সাত দিন খোলা থাকার পর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকাল পৌনে ৯টার দিকে এসব জলকপাট বন্ধ করা হয়।

গত ৫ আগস্ট রাতে হ্রদের পানি বিপদসীমায় পৌঁছালে প্রতিটি জলকপাট ৬ ইঞ্চি করে খোলা হয়, যার মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে প্রবাহিত হয়। পরে পানি চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ধাপে ধাপে গেইট খোলার পরিমাণ বাড়ানো হয়। সর্বশেষ ৭ আগস্ট সন্ধ্যায় সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ ফুট উচ্চতায় জলকপাট খুলে দেওয়া হয়, এতে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৬৮ হাজার কিউসেক পানি নদীতে নেমে যায়।

আরও পড়ুন : তিস্তার পানি বৃদ্ধি, খুলে দেওয়া হয়েছে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪ জলকপাট

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে জলকপাট বন্ধ থাকলেও কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট চালু রয়েছে, যা থেকে ২২০ থেকে ২২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। এতে প্রতি সেকেন্ডে ৩২ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলীতে অপসারিত হচ্ছে। মঙ্গলবার সকাল ৮টায় কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয় ১০৭.০৫ এমএসএল, যেখানে সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ এমএসএল।

কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহামুদ হাসান জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বৃষ্টিপাত কমে আসায় পানির উচ্চতা হ্রাস পাচ্ছে, তাই গেইটগুলো বন্ধ করা হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে জলকপাট খোলা হবে কিনা, তা নির্ভর করবে হ্রদের পানির স্তর বৃদ্ধির ওপর।