পণ্য ও সেবা মিলিয়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৩ দশমিক ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা আগের বছরের লক্ষ্যমাত্রা ৫৭ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় প্রায় ১০ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেশি।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ সংক্রান্ত সভা শেষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। সভায় বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনসহ মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
নতুন লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, পণ্য খাতে ১৩ দশমিক ৪০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫৫ বিলিয়ন ডলার এবং সেবা খাতে ১৮ দশমিক ৬৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার।
আরও পড়ুন : পাম অয়েলের দাম লিটারে কমলো ১৯ টাকা, নতুন মূল্য কত?
২০২৪-২৫ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৪৮ দশমিক ২৮ বিলিয়ন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার ৯৭ শতাংশ পূরণ করেছে। তবে এটি আগের বছরের তুলনায় ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেশি। সেবা খাতে জুলাই-এপ্রিল পর্যন্ত রপ্তানি আয় দাঁড়ায় ৫ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ১৩ শতাংশ বেশি।
খাতভিত্তিক লক্ষ্যমাত্রায় তৈরি পোশাকের ওভেন সেগমেন্টে ২০ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার (প্রবৃদ্ধি ১৪ দশমিক ৩১ শতাংশ), নিট সেগমেন্টে ২৩ দশমিক ৭০ বিলিয়ন ডলার (প্রবৃদ্ধি ১২ দশমিক ০১ শতাংশ), হোম-টেক্সটাইল খাতে ১ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার (প্রবৃদ্ধি ১৭ দশমিক ০৩ শতাংশ) এবং লেদার ও লেদার গুডসে ১ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার (প্রবৃদ্ধি ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ) নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫৩৯ মিলিয়ন ডলার (প্রবৃদ্ধি ২২ দশমিক ০৬ শতাংশ) এবং পাট ও পাটপণ্যের জন্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৯০০ মিলিয়ন ডলার (প্রবৃদ্ধি ৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ)।
ঢাকা ডেস্ক 









