০৪:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

ফুটপাতে প্রসব যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলেন নারী, অতঃপর

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫
  • 78

চট্টগ্রামের দেওয়ানহাট মোড়ে শুক্রবার (৮ আগস্ট) দুপুরে ঘটে গেল এক মানবিকতার অনন্য উদাহরণ। ফুটপাতে প্রসব যন্ত্রণায় ছটফট করা এক ভারসাম্যহীন নারীকে উপেক্ষা করে পথচারীরা যখন দূরে সরে যাচ্ছিলেন, তখন দায়িত্বের গণ্ডি পেরিয়ে এগিয়ে এলেন সিএমপির পশ্চিম ট্রাফিক বিভাগের দুই সার্জেন্ট—আব্দুল্লাহ আলমুজাহিদ জনি ও জাহিদুর রহমান।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, দুপুরের ব্যস্ত সময়ে মোড়ে নারীটিকে কাতরাতে দেখেও কেউ সাহায্যে এগোয়নি। ঠিক সেই মুহূর্তে দুই ট্রাফিক সার্জেন্ট ছুটে এসে দ্রুত একটি সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেন। পরে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন : মুখ চেপে ধরে ছাদে নিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা

স্থানীয় এক দোকানদার বলেন, ‘পুলিশ না থাকলে হয়তো মা ও শিশুর বড় ধরনের বিপদ ঘটত। এমন সহমর্মিতা সত্যিই বিরল।’

সার্জেন্ট জনি জানান, ‘আমরা ডিউটি করছিলাম, হঠাৎ দেখি এক নারী যন্ত্রণায় মাটিতে পড়ে চিৎকার করছেন। সময় নষ্ট না করে অ্যাম্বুলেন্স ডেকে পাঠাই।’

সহকর্মী সার্জেন্ট জাহিদুর রহমান যোগ করেন, ‘শুধু যানবাহন নিয়ন্ত্রণ নয়, বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানোও আমাদের দায়িত্ব। মা ও নবজাতকের জীবন বাঁচানোই তখন আমাদের প্রথম লক্ষ্য ছিল।’

চমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ওই নারী নিরাপদে একটি সুস্থ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। বর্তমানে মা ও নবজাতক দুজনেই সুস্থ আছেন।

 

এই ঘটনাকে স্থানীয়রা দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন—যা সমাজে মানবিকতা ও দায়িত্ববোধের অনুপ্রেরণা ছড়িয়ে দিতে পারে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

ফুটপাতে প্রসব যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলেন নারী, অতঃপর

সর্বশেষ আপডেট : ১০:১৫:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫

চট্টগ্রামের দেওয়ানহাট মোড়ে শুক্রবার (৮ আগস্ট) দুপুরে ঘটে গেল এক মানবিকতার অনন্য উদাহরণ। ফুটপাতে প্রসব যন্ত্রণায় ছটফট করা এক ভারসাম্যহীন নারীকে উপেক্ষা করে পথচারীরা যখন দূরে সরে যাচ্ছিলেন, তখন দায়িত্বের গণ্ডি পেরিয়ে এগিয়ে এলেন সিএমপির পশ্চিম ট্রাফিক বিভাগের দুই সার্জেন্ট—আব্দুল্লাহ আলমুজাহিদ জনি ও জাহিদুর রহমান।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, দুপুরের ব্যস্ত সময়ে মোড়ে নারীটিকে কাতরাতে দেখেও কেউ সাহায্যে এগোয়নি। ঠিক সেই মুহূর্তে দুই ট্রাফিক সার্জেন্ট ছুটে এসে দ্রুত একটি সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেন। পরে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন : মুখ চেপে ধরে ছাদে নিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা

স্থানীয় এক দোকানদার বলেন, ‘পুলিশ না থাকলে হয়তো মা ও শিশুর বড় ধরনের বিপদ ঘটত। এমন সহমর্মিতা সত্যিই বিরল।’

সার্জেন্ট জনি জানান, ‘আমরা ডিউটি করছিলাম, হঠাৎ দেখি এক নারী যন্ত্রণায় মাটিতে পড়ে চিৎকার করছেন। সময় নষ্ট না করে অ্যাম্বুলেন্স ডেকে পাঠাই।’

সহকর্মী সার্জেন্ট জাহিদুর রহমান যোগ করেন, ‘শুধু যানবাহন নিয়ন্ত্রণ নয়, বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানোও আমাদের দায়িত্ব। মা ও নবজাতকের জীবন বাঁচানোই তখন আমাদের প্রথম লক্ষ্য ছিল।’

চমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ওই নারী নিরাপদে একটি সুস্থ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। বর্তমানে মা ও নবজাতক দুজনেই সুস্থ আছেন।

 

এই ঘটনাকে স্থানীয়রা দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন—যা সমাজে মানবিকতা ও দায়িত্ববোধের অনুপ্রেরণা ছড়িয়ে দিতে পারে।