পেটের মেদ বা চর্বি নিয়ে আমরা মোটামুটি সবাই চিন্তিত। নানা পদক্ষেপ নিয়েও এই চর্বি সহজে যায় না। অনেকে শরীরচর্চা, সাপ্লিমেন্টারি কতকিছুই না খান। কিন্তু কোনো কিছুতেই কিছু হয় না।
ভারতের এমস এবং যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গ্যাসট্রোএন্টেরোলজিস্ট সৌরভ শেঠির মতে, অনেক সময়েই পেটের মেদ না ঝরার কারণ হতে পারে অন্ত্রের স্বাস্থ্য। পেটের চর্বি সরাতে আগে সেদিকে মনোযোগ দিতে হবে।
রাতের খাবার হবে হবে হালকা, দ্রুত
চিকিৎসক সৌরভ বলেন, ভালো হজম হলে পেটের চর্বি কমে যায়। আমাদের দেশের মানুষের খাদ্যভাস অনুযায়ী রাতে ভাত-রুটি জাতীয় ভারী খাবার খাওয়া হয়। এরমধ্যে আবার বেশিরভাগ পরিবার খায় রাত ১০টার পর। এরপরই আবার দ্রুত ঘুমিয়ে যান।
আরও পড়ুন : দুপুরের খাবার খাওয়ার আদর্শ সময় কখন?
ঘুমিয়ে গেলে শরীরও বিশ্রামে চলে যায়। ফলে হজম প্রক্রিয়ায় গণ্ডগোল হয়। আর এতেই শরীরের চর্বি বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
এই চিকিৎসক বলেন, ‘সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে হালকা খাবার খেতে হবে। আর খাবার পর অন্তত ৪ ঘণ্টা সময় দিতে হবে শরীরের জন্য, যাতে হজম হওয়ার সময় পায়।’
খেতে হবে ঈষদুষ্ণ পানি
হালকা গরম বা ঈষদুষ্ণ পানি হজমে সাহায্য করে। অপরদিকে ঠান্ডা পানি হজমের প্রক্রিয়ার গতি কমিয়ে দেয়। যেহেতু হজম ঠিক হলে ওজনও কম থাকে তাই সারা দিন ঠান্ডা পানির বদলে ঈষদুষ্ণ পানি পান করতে হবে।
আরও পড়ুন : সকালে খালি পেটে পানি পান করার উপকারতা জানলে অবাক হবেন !
খেতে হবে কিছু মশলাজাতীয় খাবার
এমন কিছু মশলা আছে যেগুলো নিয়মিত খেলে শরীর কিছুটা উষ্ণ থাকে। এসব মশলা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে, শরীরকে উষ্ণ রাখে। এসব মশলার মধ্যে আদা, গোলমরিচ, হলুদ, দারচিনি উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি ত্রিফলা অর্থাৎ আমলকি, হরিতকি, বহেরাও খাওয়া যেতে পারে। এটিও শরীরকে দূষণমুক্ত করে।
ঢাকা ডেস্ক 















