০৪:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

সমন্বয়ক রিয়াদকে নিয়ে আস–সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের বিবৃতি

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:২১:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫
  • 195

সাবেক সমন্বয়ক আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান রিয়াদ। ছবি : সংগৃহীত

কিছুদিন আগেও নোয়াখালীর সেনবাগের জনগণ চাঁদা তুলে পড়ালেখার খরচ জুগিয়েছে বৈষম্যবিরোধী অন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান রিয়াদের। কিন্তু সেই রিয়াদই যেন গত ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে হাতে পেয়েছেন ‘আলাদীনের চেরাগ’।

নোয়াখালীতে করছেন পাকা বাড়ি। যদিও তার মা রেজিয়া বেগম দাবি করেছেন, গ্রামের বাড়ি নির্মাণে আস–সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অর্থ দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, বন্যার পর সরকারের দেওয়া চার বান্ডিল ঢেউটিন বিক্রি করে এবং আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন থেকে পাওয়া ৫০ হাজার টাকা মিলিয়ে ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন তারা।

তবে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে আস–সুন্নাহ ফাউন্ডেশন জানিয়েছে তাদেরকে কোনো অর্থ বরাদ্দ করেনি।

আরও পড়ুন : বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটি সবার আগে ভেঙে দেওয়ার দরকার ছিল: জাহেদ উর রহমান

এ বিষয়ে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তাদের রেকর্ড অনুযায়ী ওই ইউনিয়নে আবদুর রাজ্জাক ওরফে রিয়াদ, তার বাবা আবু রায়হান, অথবা তার মা রেজিয়া বেগম নামের কেউ আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের উপকারভোগীদের তালিকায় নেই। রিয়াদ বা তার পরিবারের কারো বিকাশ নম্বরে কোনো লেনদেনও আস–সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের রেকর্ডে নেই।

প্রসঙ্গত, সমন্বয়ক পরিচয়ে গুলশানের ৮৩ নম্বর রোডে আওয়ামী লীগ নেত্রী ও সাবেক এমপি শাম্মী আহমেদের বাসায় গিয়ে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে রিয়াদ ও তার সহযোগীরা। শাম্মী আহমেদ দেশের বাইরে আছেন। বাসায় ছিলেন তার স্বামী সিদ্দিক আবু জাফর।

গত ১৭ জুলাই সকালে বাসায় গিয়ে মব সৃষ্টি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা নিয়ে আসে এ চক্রটি। পরে গত শনিবার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যায় ফের গুলশানের ওই বাসায় চাঁদার টাকা আনতে গিয়ে গুলশান থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন পাঁচ চাঁদাবাজ।

আরও পড়ুন : গুলশানে সমন্বয়ক পরিচয়ে রিয়াদের চাঁদাবাজি

তারা হলেন-বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় সদস্য আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান ওরফে রিয়াদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর শাখার আহ্বায়ক ইব্রাহীম হোসেন মুন্না, ঢাকা মহানগর শাখার সদস্য মো. সাকাদাউন সিয়াম ও সাদমান সাদাব এবং বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কর্মী মো. আমিনুল ইসলাম।

এ ঘটনায় শাম্মী আহমেদের স্বামী সিদ্দিক আবু জাফর গুলশান থানায় ছয়জনকে এজাহারনামীয় আসামি করে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা করেন।

 

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

সমন্বয়ক রিয়াদকে নিয়ে আস–সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের বিবৃতি

সর্বশেষ আপডেট : ০৯:২১:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫

কিছুদিন আগেও নোয়াখালীর সেনবাগের জনগণ চাঁদা তুলে পড়ালেখার খরচ জুগিয়েছে বৈষম্যবিরোধী অন্দোলনের সমন্বয়ক আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান রিয়াদের। কিন্তু সেই রিয়াদই যেন গত ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে হাতে পেয়েছেন ‘আলাদীনের চেরাগ’।

নোয়াখালীতে করছেন পাকা বাড়ি। যদিও তার মা রেজিয়া বেগম দাবি করেছেন, গ্রামের বাড়ি নির্মাণে আস–সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অর্থ দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, বন্যার পর সরকারের দেওয়া চার বান্ডিল ঢেউটিন বিক্রি করে এবং আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন থেকে পাওয়া ৫০ হাজার টাকা মিলিয়ে ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন তারা।

তবে মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে আস–সুন্নাহ ফাউন্ডেশন জানিয়েছে তাদেরকে কোনো অর্থ বরাদ্দ করেনি।

আরও পড়ুন : বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটি সবার আগে ভেঙে দেওয়ার দরকার ছিল: জাহেদ উর রহমান

এ বিষয়ে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তাদের রেকর্ড অনুযায়ী ওই ইউনিয়নে আবদুর রাজ্জাক ওরফে রিয়াদ, তার বাবা আবু রায়হান, অথবা তার মা রেজিয়া বেগম নামের কেউ আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের উপকারভোগীদের তালিকায় নেই। রিয়াদ বা তার পরিবারের কারো বিকাশ নম্বরে কোনো লেনদেনও আস–সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের রেকর্ডে নেই।

প্রসঙ্গত, সমন্বয়ক পরিচয়ে গুলশানের ৮৩ নম্বর রোডে আওয়ামী লীগ নেত্রী ও সাবেক এমপি শাম্মী আহমেদের বাসায় গিয়ে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে রিয়াদ ও তার সহযোগীরা। শাম্মী আহমেদ দেশের বাইরে আছেন। বাসায় ছিলেন তার স্বামী সিদ্দিক আবু জাফর।

গত ১৭ জুলাই সকালে বাসায় গিয়ে মব সৃষ্টি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা নিয়ে আসে এ চক্রটি। পরে গত শনিবার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যায় ফের গুলশানের ওই বাসায় চাঁদার টাকা আনতে গিয়ে গুলশান থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন পাঁচ চাঁদাবাজ।

আরও পড়ুন : গুলশানে সমন্বয়ক পরিচয়ে রিয়াদের চাঁদাবাজি

তারা হলেন-বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় সদস্য আব্দুর রাজ্জাক বিন সুলাইমান ওরফে রিয়াদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর শাখার আহ্বায়ক ইব্রাহীম হোসেন মুন্না, ঢাকা মহানগর শাখার সদস্য মো. সাকাদাউন সিয়াম ও সাদমান সাদাব এবং বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কর্মী মো. আমিনুল ইসলাম।

এ ঘটনায় শাম্মী আহমেদের স্বামী সিদ্দিক আবু জাফর গুলশান থানায় ছয়জনকে এজাহারনামীয় আসামি করে চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা করেন।