১২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীতে মা-মেয়েকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা : অতঃপর…

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:০৬:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫
  • 80

ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় ইয়াসমিন আলম ও তার মেয়ে ইরিনা আলম তানহাকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যার ঘটনায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২০ জুলাই) ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক নার্গিস ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম তুষার রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মো. আল-আমিন, মো. মিরাজ মোল্লা ও নুর আলম।

রায় ঘোষণার সময় আল-আমিন ও মিরাজ মোল্লাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণার পর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

অন্যদিকে, পলাতক থাকা আসামি নুর আলমের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, পারিবারিক কলহের জেরে পরিকল্পিতভাবে ভিকটিমের স্বামীর আগের স্ত্রী ও অন্যান্য আসামিদের সহযোগিতায় ২০১০ সালের ৮ মে ইয়াসমিন ও তার মেয়ে তানহাকে গলায় ফাঁস দিয়ে ও হাত-পা বেঁধে হত্যা করা হয়।

আরও পড়ুন : কনসার্টের স্ক্রিনে হঠাৎ ধরা পড়ল বস ও নারী সহকর্মীর পরকীয়া! অতঃপর 

ওই ঘটনায় ইয়াসমিনের ভাই মনির হোসেন কদমতলী থানায় মামলা করেন।

এরপর ২০২২ সালের ৮ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষ ১৫ জনের সাক্ষ্য উপস্থাপন করে।

সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত আজ এ রায় দেন।

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

রাজধানীতে মা-মেয়েকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা : অতঃপর…

সর্বশেষ আপডেট : ০৪:০৬:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় ইয়াসমিন আলম ও তার মেয়ে ইরিনা আলম তানহাকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যার ঘটনায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২০ জুলাই) ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক নার্গিস ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম তুষার রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মো. আল-আমিন, মো. মিরাজ মোল্লা ও নুর আলম।

রায় ঘোষণার সময় আল-আমিন ও মিরাজ মোল্লাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় ঘোষণার পর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

অন্যদিকে, পলাতক থাকা আসামি নুর আলমের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, পারিবারিক কলহের জেরে পরিকল্পিতভাবে ভিকটিমের স্বামীর আগের স্ত্রী ও অন্যান্য আসামিদের সহযোগিতায় ২০১০ সালের ৮ মে ইয়াসমিন ও তার মেয়ে তানহাকে গলায় ফাঁস দিয়ে ও হাত-পা বেঁধে হত্যা করা হয়।

আরও পড়ুন : কনসার্টের স্ক্রিনে হঠাৎ ধরা পড়ল বস ও নারী সহকর্মীর পরকীয়া! অতঃপর 

ওই ঘটনায় ইয়াসমিনের ভাই মনির হোসেন কদমতলী থানায় মামলা করেন।

এরপর ২০২২ সালের ৮ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষ ১৫ জনের সাক্ষ্য উপস্থাপন করে।

সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত আজ এ রায় দেন।