০২:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকায় জাতিসংঘের আঞ্চলিক অফিস কেন? প্রশ্ন তুললেন আজহারী

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৪১:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫
  • 64

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনের আঞ্চলিক অফিস ঢাকায় স্থাপনের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন দেশের আলোচিত ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারী। গত শুক্রবার অন্তর্বর্তী সরকার জাতিসংঘের সঙ্গে মানবাধিকার সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করার পর বিষয়টি প্রথমবারের মতো প্রধান উপদেষ্টার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে জানানো হয়।

শনিবার দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে ড. আজহারী প্রশ্ন তুলেছেন, “এদেশে জাতিসংঘের আঞ্চলিক অফিস কেন?” তিনি আরো লিখেছেন, “যেসব দেশে তাদের আঞ্চলিক দপ্তর রয়েছে, সেসব দেশের জনগণ কি সেখানে শান্তিতে আছেন? আমরা যদি নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া মজবুত না করি, তাহলে তারা এখানে আসার পর কী করতে পারবে?”

আরও পড়ুন : জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় নিয়ে হেফাজতের কড়া বিবৃতি

জাতিসংঘের এই আঞ্চলিক অফিস সাধারণত যুদ্ধবিধ্বস্ত বা মানবাধিকার সংকটে থাকা দেশে খোলা হয়। তাই বাংলাদেশের মতো শান্তিপূর্ণ দেশেও এর স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সমালোচকরা মনে করছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বার্থের প্রতি যথাযথ নজর না দিয়ে এক পক্ষীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় অন্য দাবি করা হলেও বিষয়টি নিয়ে জনমত ও রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

বাংলাদেশে জাতিসংঘের আঞ্চলিক মানবাধিকার অফিস চালু হলেও এর প্রভাব ও কার্যক্রম নিয়ে নানা সন্দেহ ও উদ্বেগ রয়েছে। ড. আজহারীর মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিদের এমন প্রশ্ন ও উদ্বেগ অবশ্য দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ও নীতিমালার ওপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

ঢাকায় জাতিসংঘের আঞ্চলিক অফিস কেন? প্রশ্ন তুললেন আজহারী

সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৪১:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনের আঞ্চলিক অফিস ঢাকায় স্থাপনের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন দেশের আলোচিত ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারী। গত শুক্রবার অন্তর্বর্তী সরকার জাতিসংঘের সঙ্গে মানবাধিকার সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করার পর বিষয়টি প্রথমবারের মতো প্রধান উপদেষ্টার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে জানানো হয়।

শনিবার দুপুরে নিজের ফেসবুক পেজে ড. আজহারী প্রশ্ন তুলেছেন, “এদেশে জাতিসংঘের আঞ্চলিক অফিস কেন?” তিনি আরো লিখেছেন, “যেসব দেশে তাদের আঞ্চলিক দপ্তর রয়েছে, সেসব দেশের জনগণ কি সেখানে শান্তিতে আছেন? আমরা যদি নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া মজবুত না করি, তাহলে তারা এখানে আসার পর কী করতে পারবে?”

আরও পড়ুন : জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় নিয়ে হেফাজতের কড়া বিবৃতি

জাতিসংঘের এই আঞ্চলিক অফিস সাধারণত যুদ্ধবিধ্বস্ত বা মানবাধিকার সংকটে থাকা দেশে খোলা হয়। তাই বাংলাদেশের মতো শান্তিপূর্ণ দেশেও এর স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সমালোচকরা মনে করছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বার্থের প্রতি যথাযথ নজর না দিয়ে এক পক্ষীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় অন্য দাবি করা হলেও বিষয়টি নিয়ে জনমত ও রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

বাংলাদেশে জাতিসংঘের আঞ্চলিক মানবাধিকার অফিস চালু হলেও এর প্রভাব ও কার্যক্রম নিয়ে নানা সন্দেহ ও উদ্বেগ রয়েছে। ড. আজহারীর মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিদের এমন প্রশ্ন ও উদ্বেগ অবশ্য দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ও নীতিমালার ওপর গভীর প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।