০২:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

ভারতীয় নার্সের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত:  ক্ষমা করবে না নিহতের পরিবার

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৫৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫
  • 52

ছবি : সংগৃহীত

ভারতীয় নার্স নিমিশা প্রিয়া যে ইয়েমেনি নাগরিককে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডের সাজা পেয়েছেন, সেই তালাল আব্দো মাহদির ভাই বিবিসিকে বলেছেন যে মৃত্যুদণ্ড ছাড়া অন্য কোনো শাস্তিই তারা মানতে রাজি নন।

বিবিসি আরবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে খুন হওয়া মাহদির ভাই আব্দেলফাতাহ্ মাহদি বলেছেন, ‘‘মীমাংসার ব্যাপারে আমাদের অবস্থান খুব স্পষ্ট। আল্লাহ্-র তৈরি আইন ‘কিসাস’-ই কার্যকর করতে হবে, অন্য কোনো কিছু নয়।’’

আব্দেলফাতাহ্ মাহদি ওই সাক্ষাৎকার দেওয়ার পরে অবশ্য নিমিশা প্রিয়ার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা আপাতত স্থগিত করেছে ইয়েমেনের কর্তৃপক্ষ। বুধবার ওই সাজা কার্যকর করার কথা ছিল।

এর আগে ক্ষতিপূরণ হিসাবে নিমিশা প্রিয়া-র আত্মীয়স্বজন ও সমর্থকরা মি. মাহদির পরিবারকে ‘ব্লাড মানি’ দিতে এক মিলিয়ন বা ১০ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করেন এবং পরিবারকে সেটা ‘অফার’ও করা হয়েছে।

কিন্তু মৃতের পরিবার কোনো সমঝোতাতেই রাজি নয় বলে স্পষ্ট করেছে এবং তারা ক্ষমা না করলে নিমিশা প্রিয়ার কোনোভাবে বাঁচা সম্ভব নয়।

মৃত তালাল আব্দো মাহদি ভারতীয় নার্স নিমিশা প্রিয়ার ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন। ২০১৭ সালে তালাল আব্দো মাহদির টুকরো টুকরো করা দেহ একটি জলের ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়।

এরপরই সেই হত্যার অভিযোগে নিমিশা প্রিয়াকে গ্রেপ্তার হতে হয় এবং সে দেশের আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

‘ভারতীয় গণমাধ্যমে সত্যের অপলাপ হচ্ছে’

খুন হওয়া মাহদির ভাই আব্দেলফাতাহ্ মাহদি বলেছেন যে তারা পরিবার ‘শুধু যে একটি নারকীয় অপরাধের শিকার হয়েছে তা নয়, দীর্ঘ এবং ক্লান্তিকর আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়েও পরিবারকে যেতে হয়েছে। এটা তো একটা ভয়াবহ এবং জঘন্য অথচ সুস্পষ্ট অপরাধের ঘটনা।’

তার কথায়, ‘ভারতীয় গণমাধ্যমে সত্যের অপলাপ ঘটানোর প্রচেষ্টা চলছে দেখে আমরা ব্যথিত। সাজাপ্রাপ্ত একজনকে পরিস্থিতির শিকার বলে তুলে ধরা হচ্ছে যাতে ওই অপরাধটাকে ন্যায্যতা দেওয়া যায়।

আমরা স্পষ্টভাবে বলছি যে এখানে জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা হচ্ছে।’

‘একটা বিবাদ – যে কারণেই হয়ে থাক, যত বড়ই হোক সেই বিতর্ক, তা কোনোভাবেই একটা হত্যাকে ন্যায্যতা দিতে পারে না।

এর ওপরে এই ঘটনায় তো দেহটিকে টুকরো করে, বিকৃত করে লুকিয়ে ফেলা হয়েছিল,’ জানিয়েছেন মি. মাহদি।

আরও পড়ুন : ভারতে অনুপ্রবেশকারীদের জায়গা নেই:নরেন্দ্র মোদি

সাক্ষাৎকার দেওয়ার পরে মাহদি নিজের ফেসবুকে এ নিয়ে একটি বিস্তারিত পোস্ট করেছেন বলে জানিয়েছে আরবি ভাষার সংবাদ পোর্টাল ‘আল-কুদ্স’।

তার আগেই অবশ্য ইয়েমেনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল যে নিমিশা প্রিয়া মৃত্যুদণ্ড আপাতত স্থগিত করছে তারা।

ওই পোর্টালের প্রতিবেদন অনুযায়ী মাহদি তার পোস্টে লিখেছেন, ‘মৃত্যদণ্ড পিছিয়ে যাওয়ায় আমরা হতাশ। আমরা এটা আশা করিনি। আদালত তো জানে যে আমরা কোনো ধরনের সমঝোতা করতে রাজি নই।’

‘যতক্ষণ না মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হচ্ছে ততক্ষণ আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাব। কোনোরকম চাপের কাছে আমরা নতি স্বীকার করব না। রক্ত নিয়ে ব্যবসা করা যায় না।

ন্যায়বিচার পেতে যতই সময় লাগুক আমরা কোনো সমঝোতা করব না,’ বলেন তিনি।

‘আল কুদ্স’ জানাচ্ছে যে মাহদি তার ফেসবুক পোস্টে ভারতীয় গণমাধ্যম নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে লেখা হচ্ছে যে তালাল নাকি নিমিশার পাসপোর্ট আটকে রেখেছিল আর তার ওপরে শোষণ চালিয়েছে। এর মধ্যে বিন্দুমাত্রও সত্যতা নেই।

নিমিশা কোনো আদালতের শুনানিতে এরকম দাবি জানায়নি, তার আইনি পরামর্শদাতারাও এরকম কিছু বলেননি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে তথ্য বিকৃত করছে দেখে আমাদের খারাপ লাগে।’

মধ্যস্থতা এবং আলোচনা নিয়ে মাহদি লিখেছেন, ‘মধ্যস্থতা আর আলোচনায় কোনো নতুন কিছু নেই। অনেক বছর ধরেই এই ঘটনায় মধ্যস্থতার প্রবল প্রচেষ্টা চলছে। এ সত্ত্বেও আমাদের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

আমাদের দাবি খুব স্পষ্ট। অপরাধীকে সাজা পেতেই হবে। এছাড়া আমরা আর কোনো কিছুই চাই না।’

ভারত সরকারের অবস্থান

ভারতের সরকার বারবার বলে থাকে যে নিমিশা প্রিয়ার ঘটনায় তারা ইয়েমেনের সরকারের সঙ্গে যেমন ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখে চলেছে, তেমনই ওই নার্সের পরিবারের পাশেও তারা সবসময়ে রয়েছে।

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের প্রশাসন ছাড়াও ভারত এই বিষয়ে সৌদি আরব, ইরান এবং ইয়েমেনের আরও কয়েকটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছে, যাতে তাদের মাধ্যমে হুথি বিদ্রোহীদের প্রশাসনের ওপরে কিছুটা প্রভাব বিস্তার করা যায়।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল তার সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে বৃহস্পতিবার বলেন, ‘এটা খুবই সংবেদনশীল বিষয় এবং ভারত সরকার যথাসম্ভব সহায়তা করছে।

আরও পড়ুন : জামায়াতের সমাবেশে আসার পথে উপজেলা আমির নিহত

আমরা পরিবারটিকে (নিমিশা প্রিয়ার) আইনি সহায়তা দিয়েছি, একজন আইনজীবী নিয়োগ করেছি। নিয়মিত কূটনৈতিক সাক্ষাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং বিষয়টি সমাধানের জন্য স্থানীয় প্রশাসন এবং পরিবারের সঙ্গে নাগাড়ে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।’

মুখপাত্র আরও বলেন যে মিজ. প্রিয়ার পরিবার যাতে হাতে আরও কিছুটা সময় পায়, সেই ব্যাপারে সম্প্রতি প্রচেষ্টা চালিয়েছিল সরকার।

তবে মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম লিখছে যে ইয়েমেনে ভারতের কূটনৈতিক অবস্থান খুব একটা জোরালো নয়, যে কারণে এই বিষয়টি সমাধান করতে বেগ পেতে হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

ভারতীয় নার্সের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত:  ক্ষমা করবে না নিহতের পরিবার

সর্বশেষ আপডেট : ১২:৫৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ জুলাই ২০২৫

ভারতীয় নার্স নিমিশা প্রিয়া যে ইয়েমেনি নাগরিককে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডের সাজা পেয়েছেন, সেই তালাল আব্দো মাহদির ভাই বিবিসিকে বলেছেন যে মৃত্যুদণ্ড ছাড়া অন্য কোনো শাস্তিই তারা মানতে রাজি নন।

বিবিসি আরবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে খুন হওয়া মাহদির ভাই আব্দেলফাতাহ্ মাহদি বলেছেন, ‘‘মীমাংসার ব্যাপারে আমাদের অবস্থান খুব স্পষ্ট। আল্লাহ্-র তৈরি আইন ‘কিসাস’-ই কার্যকর করতে হবে, অন্য কোনো কিছু নয়।’’

আব্দেলফাতাহ্ মাহদি ওই সাক্ষাৎকার দেওয়ার পরে অবশ্য নিমিশা প্রিয়ার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা আপাতত স্থগিত করেছে ইয়েমেনের কর্তৃপক্ষ। বুধবার ওই সাজা কার্যকর করার কথা ছিল।

এর আগে ক্ষতিপূরণ হিসাবে নিমিশা প্রিয়া-র আত্মীয়স্বজন ও সমর্থকরা মি. মাহদির পরিবারকে ‘ব্লাড মানি’ দিতে এক মিলিয়ন বা ১০ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করেন এবং পরিবারকে সেটা ‘অফার’ও করা হয়েছে।

কিন্তু মৃতের পরিবার কোনো সমঝোতাতেই রাজি নয় বলে স্পষ্ট করেছে এবং তারা ক্ষমা না করলে নিমিশা প্রিয়ার কোনোভাবে বাঁচা সম্ভব নয়।

মৃত তালাল আব্দো মাহদি ভারতীয় নার্স নিমিশা প্রিয়ার ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন। ২০১৭ সালে তালাল আব্দো মাহদির টুকরো টুকরো করা দেহ একটি জলের ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়।

এরপরই সেই হত্যার অভিযোগে নিমিশা প্রিয়াকে গ্রেপ্তার হতে হয় এবং সে দেশের আদালত তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।

‘ভারতীয় গণমাধ্যমে সত্যের অপলাপ হচ্ছে’

খুন হওয়া মাহদির ভাই আব্দেলফাতাহ্ মাহদি বলেছেন যে তারা পরিবার ‘শুধু যে একটি নারকীয় অপরাধের শিকার হয়েছে তা নয়, দীর্ঘ এবং ক্লান্তিকর আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়েও পরিবারকে যেতে হয়েছে। এটা তো একটা ভয়াবহ এবং জঘন্য অথচ সুস্পষ্ট অপরাধের ঘটনা।’

তার কথায়, ‘ভারতীয় গণমাধ্যমে সত্যের অপলাপ ঘটানোর প্রচেষ্টা চলছে দেখে আমরা ব্যথিত। সাজাপ্রাপ্ত একজনকে পরিস্থিতির শিকার বলে তুলে ধরা হচ্ছে যাতে ওই অপরাধটাকে ন্যায্যতা দেওয়া যায়।

আমরা স্পষ্টভাবে বলছি যে এখানে জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা হচ্ছে।’

‘একটা বিবাদ – যে কারণেই হয়ে থাক, যত বড়ই হোক সেই বিতর্ক, তা কোনোভাবেই একটা হত্যাকে ন্যায্যতা দিতে পারে না।

এর ওপরে এই ঘটনায় তো দেহটিকে টুকরো করে, বিকৃত করে লুকিয়ে ফেলা হয়েছিল,’ জানিয়েছেন মি. মাহদি।

আরও পড়ুন : ভারতে অনুপ্রবেশকারীদের জায়গা নেই:নরেন্দ্র মোদি

সাক্ষাৎকার দেওয়ার পরে মাহদি নিজের ফেসবুকে এ নিয়ে একটি বিস্তারিত পোস্ট করেছেন বলে জানিয়েছে আরবি ভাষার সংবাদ পোর্টাল ‘আল-কুদ্স’।

তার আগেই অবশ্য ইয়েমেনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল যে নিমিশা প্রিয়া মৃত্যুদণ্ড আপাতত স্থগিত করছে তারা।

ওই পোর্টালের প্রতিবেদন অনুযায়ী মাহদি তার পোস্টে লিখেছেন, ‘মৃত্যদণ্ড পিছিয়ে যাওয়ায় আমরা হতাশ। আমরা এটা আশা করিনি। আদালত তো জানে যে আমরা কোনো ধরনের সমঝোতা করতে রাজি নই।’

‘যতক্ষণ না মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হচ্ছে ততক্ষণ আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাব। কোনোরকম চাপের কাছে আমরা নতি স্বীকার করব না। রক্ত নিয়ে ব্যবসা করা যায় না।

ন্যায়বিচার পেতে যতই সময় লাগুক আমরা কোনো সমঝোতা করব না,’ বলেন তিনি।

‘আল কুদ্স’ জানাচ্ছে যে মাহদি তার ফেসবুক পোস্টে ভারতীয় গণমাধ্যম নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

ওই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে লেখা হচ্ছে যে তালাল নাকি নিমিশার পাসপোর্ট আটকে রেখেছিল আর তার ওপরে শোষণ চালিয়েছে। এর মধ্যে বিন্দুমাত্রও সত্যতা নেই।

নিমিশা কোনো আদালতের শুনানিতে এরকম দাবি জানায়নি, তার আইনি পরামর্শদাতারাও এরকম কিছু বলেননি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে তথ্য বিকৃত করছে দেখে আমাদের খারাপ লাগে।’

মধ্যস্থতা এবং আলোচনা নিয়ে মাহদি লিখেছেন, ‘মধ্যস্থতা আর আলোচনায় কোনো নতুন কিছু নেই। অনেক বছর ধরেই এই ঘটনায় মধ্যস্থতার প্রবল প্রচেষ্টা চলছে। এ সত্ত্বেও আমাদের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

আমাদের দাবি খুব স্পষ্ট। অপরাধীকে সাজা পেতেই হবে। এছাড়া আমরা আর কোনো কিছুই চাই না।’

ভারত সরকারের অবস্থান

ভারতের সরকার বারবার বলে থাকে যে নিমিশা প্রিয়ার ঘটনায় তারা ইয়েমেনের সরকারের সঙ্গে যেমন ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখে চলেছে, তেমনই ওই নার্সের পরিবারের পাশেও তারা সবসময়ে রয়েছে।

ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের প্রশাসন ছাড়াও ভারত এই বিষয়ে সৌদি আরব, ইরান এবং ইয়েমেনের আরও কয়েকটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছে, যাতে তাদের মাধ্যমে হুথি বিদ্রোহীদের প্রশাসনের ওপরে কিছুটা প্রভাব বিস্তার করা যায়।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল তার সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে বৃহস্পতিবার বলেন, ‘এটা খুবই সংবেদনশীল বিষয় এবং ভারত সরকার যথাসম্ভব সহায়তা করছে।

আরও পড়ুন : জামায়াতের সমাবেশে আসার পথে উপজেলা আমির নিহত

আমরা পরিবারটিকে (নিমিশা প্রিয়ার) আইনি সহায়তা দিয়েছি, একজন আইনজীবী নিয়োগ করেছি। নিয়মিত কূটনৈতিক সাক্ষাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং বিষয়টি সমাধানের জন্য স্থানীয় প্রশাসন এবং পরিবারের সঙ্গে নাগাড়ে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।’

মুখপাত্র আরও বলেন যে মিজ. প্রিয়ার পরিবার যাতে হাতে আরও কিছুটা সময় পায়, সেই ব্যাপারে সম্প্রতি প্রচেষ্টা চালিয়েছিল সরকার।

তবে মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম লিখছে যে ইয়েমেনে ভারতের কূটনৈতিক অবস্থান খুব একটা জোরালো নয়, যে কারণে এই বিষয়টি সমাধান করতে বেগ পেতে হচ্ছে।