দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলঙ্কাকে ৮৩ রানে হারিয়ে সিরিজে ১-১ ব্যবধানে সমতা ফেরালো বাংলাদেশ। লিটন দাসের দুর্দান্ত ৭৬ রানের ইনিংস আর শামিম হোসেনের ঝড়ো ৪৮ রানে ভর করে ১৭৭ রানের বড় স্কোর গড়ে সফরকারীরা। পরে দুর্দান্ত বোলিং পারফরম্যান্সে স্বাগতিকদের মাত্র ৯৪ রানে গুটিয়ে দিয়ে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলাদেশ।
ম্যাচের শুরুতে প্রথম ওভারে পারভেজ ইমন এবং দ্বিতীয় ওভারে তানজিদ হাসানকে হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ৭ রানে দুই ওপেনারকে হারিয়ে বিপাকে পড়ে সফরকারীরা। তবে চতুর্থ ওভারে দাসুন শানাকার ওপর চড়াও হয়ে ম্যাচে ফেরেন তাওহীদ হৃদয় ও লিটন দাস। যদিও শুরুতে একটু ধীরগতিতে খেলছিলেন লিটন, তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তিনি নিজের ছন্দ ফিরে পান। পাওয়ারপ্লে শেষে দলের সংগ্রহ ছিল ৩৯ রান।
হৃদয় ও লিটনের ৫০ রানের জুটি দলকে শক্ত ভিত দেয়, কিন্তু হৃদয় ও মিরাজকে পরপর দুই বলে ফিরিয়ে দিয়ে আবারও ম্যাচে ফেরে শ্রীলঙ্কা। তবে লিটনের সঙ্গে শামিম হোসেন নতুন জুটি গড়ে তোলেন ইনিংসে গতি। ১২তম টি-টোয়েন্টি অর্ধশতক পূর্ণ করেন লিটন, পেয়ে যান একটি সহজ জীবনও। এরপর চার-ছক্কার ফুলঝুরি ঝরিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান।
আরও পড়ুন : ব্যাটিং ব্যর্থতা নিয়ে যা বললেন মিরাজ
লিটন আউট হওয়ার পর দুই ব্যাটার—জাকের আলী ও শামিম—রানআউট হয়ে ফিরে যান, তবে ১৭৭ রানে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। শেষ ১০ ওভারে আসে ১০৮ রান।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কার শুরুটা হয়েছিল ভালো। ১০ বলেই তারা তোলে ১৯ রান। কিন্তু শামিম হোসেনের সরাসরি থ্রোয়ে কুশল মেন্ডিস রানআউট হলে শুরু হয় উইকেট পতনের মিছিল। একে একে ফিরতে থাকেন কুশল পেরেরা, অভিষ্কা ফার্নান্দো, চারিথ আসালাঙ্কা ও অন্যান্যরা।
শুরুতেই ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় লঙ্কানরা। একমাত্র প্রতিরোধ গড়েন পাথুম নিসাঙ্কা, তিনি করেন ৩২ রান। কিন্তু তিনিও রিশাদ হোসেনের ঘূর্ণিতে পরাস্ত হন। ওই ওভারেই রিশাদ আরও একটি উইকেট তুলে নিয়ে লঙ্কানদের প্রায় ধ্বংস করে দেন।
শেষদিকে মেহেদী হাসান মিরাজ, সাইফউদ্দিন ও মুস্তাফিজুর রহমান নিজেদের নাম লেখান উইকেট তালিকায়। ম্যাচের ইতি টানেন রিশাদ, স্টাম্পিং করেন বিনুরা ফার্নান্দোকে।
এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরল বাংলাদেশ। এখন সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে কলম্বোয়, তিন দিন পর।
ঢাকা ডেস্ক 









