০৪:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

সকালের হলুদ প্রস্রাব, কোনো রোগর লক্ষণ নয়তো?

  • রিপোর্টার
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:১৪:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • 100

ছবি : সংগৃহীত

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকেরই প্রথম প্রস্রাবটি সাধারণের তুলনায় গাঢ় হলুদ রঙের হয়ে থাকে। বিষয়টি অবহেলার নয়। কখন এটি সাধারণ, আর কখন তা সমস্যা সেই বিষয়েই সতর্ক থাকতে হবে।

 

সকালে প্রস্রাব গাঢ় হলুদ কেন  হয়?

 

ইউরোক্রোমের প্রভাব:

এই প্রাকৃতিক রঞ্জকটি হিমোগ্লোবিন ভাঙার সময় তৈরি হয়। পানি কম থাকলে এর ঘনত্ব বাড়ে, ফলে রঙ আরও স্পষ্ট হয়।

ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট:

বিশেষ করে বি-কমপ্লেক্স (যেমন: ভিটামিন বি২ বা রিবোফ্লাভিন) বেশি মাত্রায় গ্রহণ করলে প্রস্রাবের রঙ উজ্জ্বল হলুদ বা প্রায় নিয়ন হলুদ হতে পারে। সকালের দিকে মাল্টিভিটামিন খাওয়ার পর এমনটা হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

 

পানিশূন্যতা (ডিহাইড্রেশন):

ঘুমের সময় দীর্ঘক্ষণ পানি না পান করায় শরীরে পানি ঘাটতি দেখা দেয়। এতে কিডনি প্রস্রাবকে ঘনীভূত করে ফেলে, ফলে প্রস্রাবে ইউরোক্রোম নামক একটি রঞ্জকের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হলুদ হয়ে ওঠে।

সতর্ক হবেন কখন?

 

ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ:

সারা দিন পানি খাওয়ার পরও প্রস্রাব গাঢ় হলুদ থাকলে, তা গুরুতর ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ হতে পারে।

 

কিডনি সংক্রমণ:

প্রস্রাবে তীব্র বা অস্বাভাবিক গন্ধ থাকলে, তা কিডনি সংক্রমণ বা ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের (UTI) ইঙ্গিত হতে পারে।

যৌনতাবাহিত রোগ

কিছু যৌনতাবাহিত রোগ বা অণ্ডকোষজনিত সমস্যা থেকেও প্রস্রাবের রঙ পরিবর্তিত হতে পারে। তাই এমন লক্ষণ একাধিকবার দেখা গেলে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে।

 

প্রস্রাবের সঙ্গে জ্বালাপোড়া

যদি প্রস্রাবের সঙ্গে জ্বালাপোড়া, তলপেটে ব্যথা, জ্বর, কালচে রঙ বা অতিরিক্ত ফেনা দেখা দেয়, তাহলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

 

আরও পড়ুন : সুন্দরী মেয়েদের মন জয় করতে ব্যবহার করুন এই ১৫টি লাইন

 

কি করবেন?

দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।

প্রস্রাবের রঙ, গন্ধ বা অন্যান্য উপসর্গের দিকে খেয়াল রাখুন।

দীর্ঘমেয়াদী সমস্যায়  চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

সকালের হলুদ প্রস্রাব, কোনো রোগর লক্ষণ নয়তো?

সর্বশেষ আপডেট : ০৩:১৪:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকেরই প্রথম প্রস্রাবটি সাধারণের তুলনায় গাঢ় হলুদ রঙের হয়ে থাকে। বিষয়টি অবহেলার নয়। কখন এটি সাধারণ, আর কখন তা সমস্যা সেই বিষয়েই সতর্ক থাকতে হবে।

 

সকালে প্রস্রাব গাঢ় হলুদ কেন  হয়?

 

ইউরোক্রোমের প্রভাব:

এই প্রাকৃতিক রঞ্জকটি হিমোগ্লোবিন ভাঙার সময় তৈরি হয়। পানি কম থাকলে এর ঘনত্ব বাড়ে, ফলে রঙ আরও স্পষ্ট হয়।

ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট:

বিশেষ করে বি-কমপ্লেক্স (যেমন: ভিটামিন বি২ বা রিবোফ্লাভিন) বেশি মাত্রায় গ্রহণ করলে প্রস্রাবের রঙ উজ্জ্বল হলুদ বা প্রায় নিয়ন হলুদ হতে পারে। সকালের দিকে মাল্টিভিটামিন খাওয়ার পর এমনটা হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

 

পানিশূন্যতা (ডিহাইড্রেশন):

ঘুমের সময় দীর্ঘক্ষণ পানি না পান করায় শরীরে পানি ঘাটতি দেখা দেয়। এতে কিডনি প্রস্রাবকে ঘনীভূত করে ফেলে, ফলে প্রস্রাবে ইউরোক্রোম নামক একটি রঞ্জকের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং প্রস্রাবের রঙ গাঢ় হলুদ হয়ে ওঠে।

সতর্ক হবেন কখন?

 

ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ:

সারা দিন পানি খাওয়ার পরও প্রস্রাব গাঢ় হলুদ থাকলে, তা গুরুতর ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ হতে পারে।

 

কিডনি সংক্রমণ:

প্রস্রাবে তীব্র বা অস্বাভাবিক গন্ধ থাকলে, তা কিডনি সংক্রমণ বা ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের (UTI) ইঙ্গিত হতে পারে।

যৌনতাবাহিত রোগ

কিছু যৌনতাবাহিত রোগ বা অণ্ডকোষজনিত সমস্যা থেকেও প্রস্রাবের রঙ পরিবর্তিত হতে পারে। তাই এমন লক্ষণ একাধিকবার দেখা গেলে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে।

 

প্রস্রাবের সঙ্গে জ্বালাপোড়া

যদি প্রস্রাবের সঙ্গে জ্বালাপোড়া, তলপেটে ব্যথা, জ্বর, কালচে রঙ বা অতিরিক্ত ফেনা দেখা দেয়, তাহলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

 

আরও পড়ুন : সুন্দরী মেয়েদের মন জয় করতে ব্যবহার করুন এই ১৫টি লাইন

 

কি করবেন?

দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।

প্রস্রাবের রঙ, গন্ধ বা অন্যান্য উপসর্গের দিকে খেয়াল রাখুন।

দীর্ঘমেয়াদী সমস্যায়  চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।