রাজধানীর পুরান ঢাকায় ভাঙারি ব্যবসায়ী মো. সোহাগকে পাথর ছুড়ে হত্যা ও অস্ত্র মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃত ছাত্রদল নেতা তারেক রহমান রবিন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার (১২ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ গিয়াসের আদালতে স্বেচ্ছায় এই জবানবন্দি দেন তিনি। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
রবিন ছাত্রদলের চকবাজার থানা শাখার ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বলে জানা গেছে। ঘটনার পর কোতোয়ালি থানায় দায়ের হওয়া অস্ত্র মামলায় তিনি দুই দিনের রিমান্ডে ছিলেন। রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়।
আরও পড়ুন : ‘আল্লাহর গজব পড়ুক তাদের ওপর’
ঘটনার সূত্রপাত গত ৯ জুলাই (বুধবার) সন্ধ্যায় পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে। সেখানে মো. সোহাগ নামের এক ব্যবসায়ীকে পাথর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় মাহমুদুল হাসান মহিন ও তারেক রহমান রবিনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে পুলিশ। পরে সোহাগের পরিবারের পক্ষ থেকে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা এবং একটি অস্ত্র মামলা দায়ের করা হয়।
হত্যাকাণ্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। নিহত মো. সোহাগ কেরানীগঞ্জের পূর্ব নামাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন ধরে পুরান ঢাকার রজনী ঘোষ লেনে ভাঙারির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
হত্যাকাণ্ডের পেছনে ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের সূত্রপাত রয়েছে বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
ঢাকা ডেস্ক 









