১০:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

ঝালমুড়ির সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অতঃপর…

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৩৭:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫
  • 91

পুরনো ছবি

জয়পুরহাটে ঝালমুড়ির সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পরবর্তীতে ওই ধর্ষণের ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তরুণীকে আরও কয়েকবার ধর্ষণ করা হয়।

সম্প্রতি পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা ইউনিয়নের একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পরে ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা বাদী হয়ে স্থানীয় আতাউর রহমান, নয়ন হোসেন ও তার স্ত্রী সালমা বেগমকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, সালমা বেগম তার পরিচিত। দুই মাস আগে গল্প করার জন্য তাকে নিজ বাড়িতে ডেকে নেন সালমা। এ সময় তাকে ঝালমুড়ি খেতে দেন তিনি। ঝালমুড়ি খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই তরুণী অচেতন হয়ে পড়েন। এ সময় আতাউর রহমান নামের এক মাদক ব্যবসায়ী তখন তরুণীকে ধর্ষণ করেন। গোপনে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে রাখেন।

আরও পড়ুন : তিন নবজাতক নিয়ে বিপাকে শেরপুরের এক পরিবার, সহায়তা চান অসহায় মা

পরবর্তীতে ওই ধর্ষণের ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ভয় দেখিয়ে তাকে আরও কয়েকবার ধর্ষণ করা হয়। কিন্তু লোকলজ্জার ভয়ে তিনি ঘটনাটি কাউকে জানাতে পারেননি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শনিবার (১২ জুলাই) পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মইনুল ইসলাম বলেন, মামলার দুই নম্বর আসামি সালমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রধান আসামি আতাউর রহমান ও নয়ন হোসেন পলাতক আছে। তাদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

ঝালমুড়ির সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ, অতঃপর…

সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৩৭:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫

জয়পুরহাটে ঝালমুড়ির সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। পরবর্তীতে ওই ধর্ষণের ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তরুণীকে আরও কয়েকবার ধর্ষণ করা হয়।

সম্প্রতি পাঁচবিবি উপজেলার বাগজানা ইউনিয়নের একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পরে ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা বাদী হয়ে স্থানীয় আতাউর রহমান, নয়ন হোসেন ও তার স্ত্রী সালমা বেগমকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, সালমা বেগম তার পরিচিত। দুই মাস আগে গল্প করার জন্য তাকে নিজ বাড়িতে ডেকে নেন সালমা। এ সময় তাকে ঝালমুড়ি খেতে দেন তিনি। ঝালমুড়ি খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই তরুণী অচেতন হয়ে পড়েন। এ সময় আতাউর রহমান নামের এক মাদক ব্যবসায়ী তখন তরুণীকে ধর্ষণ করেন। গোপনে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে রাখেন।

আরও পড়ুন : তিন নবজাতক নিয়ে বিপাকে শেরপুরের এক পরিবার, সহায়তা চান অসহায় মা

পরবর্তীতে ওই ধর্ষণের ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ভয় দেখিয়ে তাকে আরও কয়েকবার ধর্ষণ করা হয়। কিন্তু লোকলজ্জার ভয়ে তিনি ঘটনাটি কাউকে জানাতে পারেননি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শনিবার (১২ জুলাই) পাঁচবিবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মইনুল ইসলাম বলেন, মামলার দুই নম্বর আসামি সালমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রধান আসামি আতাউর রহমান ও নয়ন হোসেন পলাতক আছে। তাদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।