চাঁদপুর শহরের প্রফেসরপাড়ার বাইতুল আমান জামে মসজিদে খতিব আ ন ম নুর রহমান মাদানীর ওপর চাপাতি নিয়ে হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তি বিল্লাল পুলিশের কাছে নিজের দায় স্বীকার করে ‘ভুল করেছি’ বলে মন্তব্য করেছেন। বর্তমানে মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ।
গত শুক্রবার (১১ জুলাই) জুমার নামাজের পর খুতবা সংক্রান্ত বিষয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা চালান বিল্লাল। অভিযুক্ত ব্যক্তি চাঁদপুর সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং পেশায় সবজি বিক্রেতা। ঘটনার সময় তার কাছে একটি ‘হত্যার উদ্দেশ্যে লেখা চিরকুট’ পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে স্থানীয় মুসল্লিরা।
আরও পড়ুন : খুলনায় যুবদল নেতাকে গুলি ও রগ কেটে হত্যা
র্যাব ও পুলিশের তথ্যমতে, হামলার পরিকল্পনা পূর্বপরিকল্পিত ছিল এবং বিল্লাল মসজিদের ভেতরে জায়নামাজে চাপাতি লুকিয়ে রেখেছিলেন। হামলার পর গুরুতর আহত অবস্থায় খতিব নূর রহমান মাদানীকে প্রথমে চাঁদপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন তার ছেলে আফনান তকি।
আফনান বলেন, ‘আমরা থানায় মামলা করেছি এবং দ্রুত বিচার দাবি করছি। তবে নিরাপত্তার কারণে কোন হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তা জানানো যাচ্ছে না।’
মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আলমাস মোল্লা জানিয়েছেন, ‘নূর রহমান মাদানী এলাকার অত্যন্ত সম্মানিত ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব। তার ওপর এ ধরনের হামলা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা দ্রুত তদন্ত এবং দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া জানিয়েছেন, হামলার ঘটনায় মামলার তদন্ত চলছে এবং বিল্লালকে রিমান্ডে এনে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ ঘটনার জেরে স্থানীয়ভাবে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
ঢাকা ডেস্ক 









