১২:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

গ্যাস সংকটে ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সব ইউনিট বন্ধ

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:১৪:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
  • 66

নরসিংদীর পলাশে অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র চরম গ্যাস সংকটে পড়েছে। ফলে কেন্দ্রটির সাতটি ইউনিটের সব কটি বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে, যা জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুরে ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. এনামুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

প্রকৌশলী এনামুল হক জানান, ‘গত দুই বছর ধরেই গ্যাস সংকট ছিল। কিন্তু ঈদুল আজহার পর থেকে পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে পড়েছে। সরকার কৃষি ও সার উৎপাদনের জন্য গ্যাস সরিয়ে নেওয়ায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৪, ৫ ও ৭ নম্বর ইউনিট বন্ধ রয়েছে।‘

আরও পড়ুন : পোস্টাল ব্যালটে নির্বাচনে ভোট দিবেন প্রবাসীরা

তিনি আরও জানান, ‘আমরা ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে গ্যাস সরবরাহের আবেদন করেছি। গ্যাস পেলেই ইউনিটগুলো উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।’

ঘোড়াশালের ৩ নম্বর ইউনিটে রোটারের ব্লেডে সমস্যা থাকায় দীর্ঘদিন উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এটি মেরামতের শেষ পর্যায়ে থাকলেও গ্যাসের অভাবে উৎপাদনে আনা যাচ্ছে না।

আর ৬ নম্বর ইউনিট ২০১০ সালের জুনে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সম্পূর্ণরূপে অচল হয়ে গেছে।

বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, ১ ও ২ নম্বর পুরোনো ইউনিট ভেঙে নতুন ইউনিট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উৎপাদনে নতুন গতি আসতে পারে।

ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে একসময় প্রায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হতো। সব ইউনিট বন্ধ থাকায় এই সরবরাহ শূন্যে নেমে এসেছে, যা বিদ্যুৎ সঙ্কটকবলিত সময়কে আরও তীব্র করে তুলতে পারে।

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

গ্যাস সংকটে ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সব ইউনিট বন্ধ

সর্বশেষ আপডেট : ০৮:১৪:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

নরসিংদীর পলাশে অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র চরম গ্যাস সংকটে পড়েছে। ফলে কেন্দ্রটির সাতটি ইউনিটের সব কটি বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে, যা জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুরে ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. এনামুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

প্রকৌশলী এনামুল হক জানান, ‘গত দুই বছর ধরেই গ্যাস সংকট ছিল। কিন্তু ঈদুল আজহার পর থেকে পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে পড়েছে। সরকার কৃষি ও সার উৎপাদনের জন্য গ্যাস সরিয়ে নেওয়ায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৪, ৫ ও ৭ নম্বর ইউনিট বন্ধ রয়েছে।‘

আরও পড়ুন : পোস্টাল ব্যালটে নির্বাচনে ভোট দিবেন প্রবাসীরা

তিনি আরও জানান, ‘আমরা ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে গ্যাস সরবরাহের আবেদন করেছি। গ্যাস পেলেই ইউনিটগুলো উৎপাদনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।’

ঘোড়াশালের ৩ নম্বর ইউনিটে রোটারের ব্লেডে সমস্যা থাকায় দীর্ঘদিন উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এটি মেরামতের শেষ পর্যায়ে থাকলেও গ্যাসের অভাবে উৎপাদনে আনা যাচ্ছে না।

আর ৬ নম্বর ইউনিট ২০১০ সালের জুনে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সম্পূর্ণরূপে অচল হয়ে গেছে।

বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, ১ ও ২ নম্বর পুরোনো ইউনিট ভেঙে নতুন ইউনিট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উৎপাদনে নতুন গতি আসতে পারে।

ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে একসময় প্রায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হতো। সব ইউনিট বন্ধ থাকায় এই সরবরাহ শূন্যে নেমে এসেছে, যা বিদ্যুৎ সঙ্কটকবলিত সময়কে আরও তীব্র করে তুলতে পারে।