০৩:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

দুই জেলায় প্রবল বন্যার আশঙ্কা

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:০২:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫
  • 115

২০২৪ সালের ফেনীর বন্যা। ছবি : সংগৃহীত

দেশের দুই জেলায় প্রবল বন্যার আশঙ্কা করেছেন কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও আবহাওয়াবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ।

মঙ্গলবার (০৮ জুলাই) দিবাগত রাত ১১টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়ার এক স্ট্যাটাসে তিনি এ আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ফেনী ও কুমিল্লা জেলার উপরে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির প্রবল আশংকা করা যাচ্ছে।

তিনি লিখেছেন, ‘আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হওয়া অতিবৃষ্টির কারণে ইতিমধ্যেই প্লাবিত হওয়া ফেনী জেলা এবং কুমিল্লা জেলার দক্ষিণ দিকের উপজেলাগুলোর বন্যা পরিস্থিতির অবনতির প্রবল আশংকা করা যাচ্ছে।’

‘আগামীকাল বুধবার সকাল থেকে কারণ আগামীকাল ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উপর থেকে আসা পানি কুমিল্লা ও ফেনী জেলার নদ-নদীগুলোর উপরে দিয়ে প্রবাহিত হওয়া শুরু করবে,’ বলেন তিনি।

তিনি লিখেছেন, ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা শহরে অবস্থিত রাডার থেকে প্রাপ্ত রাত ১০ টা বেজে ৪২ মিনিটের চিত্র হতে দেখে যাচ্ছে যে আবারও বৃষ্টির শুরু হয়েছে চট্রগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের জেলাগুলো এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উপরে।

 

আরও পড়ুন : রেকর্ড বৃষ্টিতে পানির নিচে ফেনী শহর

‘মাঝারি থেকে ভারি মানের বৃষ্টিপাত চলার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে চট্রগ্রাম বিভাগের নোয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, চট্রগ্রাম, খাগড়াছড়ি জেলা এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সকল জেলার উপরে।’

‘ফলে আজ সারা রাত চট্রগ্রাম বিভাগের বেশিভাগ জেলা এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উপরে চলমান বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার আশংকা করা যাচ্ছে। ভারি থেকে খুবই ভারি বৃষ্টিপাতের প্রবল আশংকা করা যাচ্ছে চট্রগ্রাম বিভাগের নোয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, চট্রগ্রাম, খাগড়াছড়ি জেলা এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সকল জেলার উপরে। আগামী ২৪ ঘণ্টা নতুন করে ১০০ থেকে ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টির প্রবল আশংকা করা যাচ্ছে,’ যোগ করেন তিনি।

ফেনীতে রেকর্ড বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ফেনীর পরশুরামের মুহুরী, সিলোনিয়া ও কহুয়া নদীর বেড়িবাঁধের ১০টি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

বন্যার পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় ফসলি জমি, মাছের ঘের, রাস্তাঘাট, ঘরবাড়িসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উপজেলার বেশিরভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

One thought on “দুই জেলায় প্রবল বন্যার আশঙ্কা”

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

দুই জেলায় প্রবল বন্যার আশঙ্কা

সর্বশেষ আপডেট : ০১:০২:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

দেশের দুই জেলায় প্রবল বন্যার আশঙ্কা করেছেন কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও আবহাওয়াবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ।

মঙ্গলবার (০৮ জুলাই) দিবাগত রাত ১১টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়ার এক স্ট্যাটাসে তিনি এ আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ফেনী ও কুমিল্লা জেলার উপরে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির প্রবল আশংকা করা যাচ্ছে।

তিনি লিখেছেন, ‘আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হওয়া অতিবৃষ্টির কারণে ইতিমধ্যেই প্লাবিত হওয়া ফেনী জেলা এবং কুমিল্লা জেলার দক্ষিণ দিকের উপজেলাগুলোর বন্যা পরিস্থিতির অবনতির প্রবল আশংকা করা যাচ্ছে।’

‘আগামীকাল বুধবার সকাল থেকে কারণ আগামীকাল ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উপর থেকে আসা পানি কুমিল্লা ও ফেনী জেলার নদ-নদীগুলোর উপরে দিয়ে প্রবাহিত হওয়া শুরু করবে,’ বলেন তিনি।

তিনি লিখেছেন, ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা শহরে অবস্থিত রাডার থেকে প্রাপ্ত রাত ১০ টা বেজে ৪২ মিনিটের চিত্র হতে দেখে যাচ্ছে যে আবারও বৃষ্টির শুরু হয়েছে চট্রগ্রাম ও বরিশাল বিভাগের জেলাগুলো এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উপরে।

 

আরও পড়ুন : রেকর্ড বৃষ্টিতে পানির নিচে ফেনী শহর

‘মাঝারি থেকে ভারি মানের বৃষ্টিপাত চলার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে চট্রগ্রাম বিভাগের নোয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, চট্রগ্রাম, খাগড়াছড়ি জেলা এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সকল জেলার উপরে।’

‘ফলে আজ সারা রাত চট্রগ্রাম বিভাগের বেশিভাগ জেলা এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উপরে চলমান বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার আশংকা করা যাচ্ছে। ভারি থেকে খুবই ভারি বৃষ্টিপাতের প্রবল আশংকা করা যাচ্ছে চট্রগ্রাম বিভাগের নোয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, চট্রগ্রাম, খাগড়াছড়ি জেলা এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সকল জেলার উপরে। আগামী ২৪ ঘণ্টা নতুন করে ১০০ থেকে ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টির প্রবল আশংকা করা যাচ্ছে,’ যোগ করেন তিনি।

ফেনীতে রেকর্ড বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ফেনীর পরশুরামের মুহুরী, সিলোনিয়া ও কহুয়া নদীর বেড়িবাঁধের ১০টি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

বন্যার পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় ফসলি জমি, মাছের ঘের, রাস্তাঘাট, ঘরবাড়িসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উপজেলার বেশিরভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।