০১:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

চলতি সপ্তাহের শেষে গাজায় যুদ্ধবিরতি হতে পারে: ডোনাল্ড ট্রাম্প

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:৩৪:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫
  • 63

ছবি : সংগৃহীত

চলতি সপ্তাহেই গাজায় একটি যুদ্ধবিরতি সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে আবারো ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি।

হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে গাজা ইস্যুতে সোমবারের বিশেষ বৈঠকের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মঙ্গলবারও দ্বিতীয় দফায় বৈঠকের বসেন দুই নেতা।

ট্রাম্প জানান, তিনি ও নেতানিয়াহু গাজা ইস্যুর সমাধান চান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সপ্তাহের শেষ নাগাদ একটি ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি ও কিছু জিম্মি মুক্তির চুক্তি হতে পারে।

মঙ্গলবারের বৈঠকের আগে ট্রাম্প বলেন, তিনি নেতানিয়াহুর সঙ্গে ‌‘প্রায় একমাত্র বিষয় হিসেবেই’ গাজা নিয়ে কথা বলবেন।

আমাদের এটা সমাধান করতে হবে। গাজা — একটা ট্র্যাজেডি, এবং উনিও (নেতানিয়াহু) এটা সমাধান করতে চান, আমিও চাই। আমার মনে হয়, অপর পক্ষও চায়।

সাংবাদিকদেরকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বিনইয়ামিন নেতানিয়াহু জানান, গাজায় এখনো অনেক কাজ বাকি।

এরমধ্যে, জিম্মিদের মুক্তি করা, হামাসকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা অন্যতম বলে জানান তিনি।

‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং আমি ‘শক্তির মাধ্যমে শান্তি’ নীতিতে বিশ্বাস করি। আগে আসে শক্তি, তারপর আসে শান্তি।’ বলেন নেতানিয়াহু।

ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে চাওয়া ও বিশ্বশান্তিকে হুমকির মুখে ফেলা শক্তির বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে আমাদের একযোগে দৃঢ় পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে অসাধারণ পরিবর্তন এনেছে।

তবে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা ছাপিয়ে গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন চলছেই।

আরও পড়িুন : চীনের ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্র এবার ইরানের হাতে

মঙ্গলবারও (৮ জুলাই) গাজার আল মাওয়াসি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হামলায় বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছেন।

হামলার মুখে গাজা সিটির জয়তুন হাসপাতালের কার্যক্রমও পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

একইদিন, পশ্চিম তীরের সাইর গ্রামে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের সঙ্গে ফিলিস্তিনিরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

মুখোশধারী দখলদারদের লাঠি হাতে দেখা যায়, আর ফিলিস্তিনিরা পাল্টা ইটপাটকেল ছোড়েন।

ইসরাইলি মানবাধিকার সংস্থা জানায়, হামাস-ইসরাইল যুদ্ধে পশ্চিম তীরের বসতি সম্প্রসারণ এবং সহিংসতা বেড়েছে আশঙ্কাজনক হারে।

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

চলতি সপ্তাহের শেষে গাজায় যুদ্ধবিরতি হতে পারে: ডোনাল্ড ট্রাম্প

সর্বশেষ আপডেট : ০৮:৩৪:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫

চলতি সপ্তাহেই গাজায় একটি যুদ্ধবিরতি সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে আবারো ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি।

হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে গাজা ইস্যুতে সোমবারের বিশেষ বৈঠকের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মঙ্গলবারও দ্বিতীয় দফায় বৈঠকের বসেন দুই নেতা।

ট্রাম্প জানান, তিনি ও নেতানিয়াহু গাজা ইস্যুর সমাধান চান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সপ্তাহের শেষ নাগাদ একটি ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি ও কিছু জিম্মি মুক্তির চুক্তি হতে পারে।

মঙ্গলবারের বৈঠকের আগে ট্রাম্প বলেন, তিনি নেতানিয়াহুর সঙ্গে ‌‘প্রায় একমাত্র বিষয় হিসেবেই’ গাজা নিয়ে কথা বলবেন।

আমাদের এটা সমাধান করতে হবে। গাজা — একটা ট্র্যাজেডি, এবং উনিও (নেতানিয়াহু) এটা সমাধান করতে চান, আমিও চাই। আমার মনে হয়, অপর পক্ষও চায়।

সাংবাদিকদেরকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বিনইয়ামিন নেতানিয়াহু জানান, গাজায় এখনো অনেক কাজ বাকি।

এরমধ্যে, জিম্মিদের মুক্তি করা, হামাসকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা অন্যতম বলে জানান তিনি।

‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং আমি ‘শক্তির মাধ্যমে শান্তি’ নীতিতে বিশ্বাস করি। আগে আসে শক্তি, তারপর আসে শান্তি।’ বলেন নেতানিয়াহু।

ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে চাওয়া ও বিশ্বশান্তিকে হুমকির মুখে ফেলা শক্তির বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে আমাদের একযোগে দৃঢ় পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে অসাধারণ পরিবর্তন এনেছে।

তবে যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা ছাপিয়ে গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন চলছেই।

আরও পড়িুন : চীনের ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্র এবার ইরানের হাতে

মঙ্গলবারও (৮ জুলাই) গাজার আল মাওয়াসি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হামলায় বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছেন।

হামলার মুখে গাজা সিটির জয়তুন হাসপাতালের কার্যক্রমও পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

একইদিন, পশ্চিম তীরের সাইর গ্রামে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের সঙ্গে ফিলিস্তিনিরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

মুখোশধারী দখলদারদের লাঠি হাতে দেখা যায়, আর ফিলিস্তিনিরা পাল্টা ইটপাটকেল ছোড়েন।

ইসরাইলি মানবাধিকার সংস্থা জানায়, হামাস-ইসরাইল যুদ্ধে পশ্চিম তীরের বসতি সম্প্রসারণ এবং সহিংসতা বেড়েছে আশঙ্কাজনক হারে।