০২:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

নতুন হামলার হুমকি ইসরায়েলের, টার্গেট যে দেশ

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
  • 98

ইরানে যেভাবে হামলা চালানো হয়েছে, সেভাবেই আরেকটি দেশে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের লক্ষ্য করে এই হামলার হুমকি দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। খবর আনাদুলু এজেন্সি

সামাজিক যেগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় কাটজ বলেন, ‘ইয়েমেনের পরিণতি হবে তেহরানের মতো। আমরা তেহরানে সাপের মাথায় আঘাত হেনেছি। ইয়েমেনে (সাপের) বাকি দেহে আঘাত করা হবে।’

নতুন হামলার হুমকি ইসরায়েলের

তিনি আরও বলেন, ‘ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যে হাত উঠবে, সেই হাত কেটে ফেলা হবে।’

টানা ১২ দিন সংঘাতের পর গত ২৪ জুন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি হয় ইসরায়েলের। এরপরও গত ৯ দিনে ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে একাধিকবার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা।

তবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই হুতিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে ফেলেছে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী। সর্বশেষ গতকাল বুধবার ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে হুতিরা। সেই ক্ষেপণাস্ত্র ইন্টারসেপ্ট বা ধ্বংস করার পর এক্সে এই হুমকি দিয়েছেন কাটজ।

ইসরায়েলি হুমকির ব্যাপারে হুতি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

আরও পড়ুন :

এদিকে গাজা উপত্যকায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির জন্য প্রয়োজনীয় শর্তগুলো ইসরায়েল মেনে নিয়েছে—এমনই দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে হামাস এ প্রস্তাব গ্রহণ করবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) এক বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, ‘এই যুদ্ধবিরতির সময়ে আমরা সব পক্ষের সঙ্গে কাজ করব যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে।’ তবে ইসরায়েল যেসব শর্তে সম্মত হয়েছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘যারা এ দুদেশের শান্তির জন্য পরিশ্রম করছে, সেই কাতার ও মিশরই এই প্রস্তাব চূড়ান্ত করবে। আমি আশা করি, হামাস এটি গ্রহণ করবে। কারণ, এর চেয়ে ভালো কিছু তারা পাবে না। বরং এ প্রস্তাব তারা না মানলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।’

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ইসরায়েলে প্রায় ১,২০০ মানুষ নিহত হওয়ার পর গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। এরপর থেকে ফিলিস্তিনের সমর্থনে লোহিত সাগরে পশ্চিমা ও ইসরায়েলি জাহাজে হামলা করছে হুতিরা। গোষ্ঠীটি নিয়মিত বিরতিতে ইসরায়েলের মূল ভূখণ্ডেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে আসছে। তবে তেলআবিবের শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এসব ক্ষেপণাস্ত্রের অধিকাংশই ব্যর্থ করে দিচ্ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

নতুন হামলার হুমকি ইসরায়েলের, টার্গেট যে দেশ

সর্বশেষ আপডেট : ০৭:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

ইরানে যেভাবে হামলা চালানো হয়েছে, সেভাবেই আরেকটি দেশে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল। ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের লক্ষ্য করে এই হামলার হুমকি দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। খবর আনাদুলু এজেন্সি

সামাজিক যেগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় কাটজ বলেন, ‘ইয়েমেনের পরিণতি হবে তেহরানের মতো। আমরা তেহরানে সাপের মাথায় আঘাত হেনেছি। ইয়েমেনে (সাপের) বাকি দেহে আঘাত করা হবে।’

নতুন হামলার হুমকি ইসরায়েলের

তিনি আরও বলেন, ‘ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যে হাত উঠবে, সেই হাত কেটে ফেলা হবে।’

টানা ১২ দিন সংঘাতের পর গত ২৪ জুন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি হয় ইসরায়েলের। এরপরও গত ৯ দিনে ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে একাধিকবার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা।

তবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই হুতিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে ফেলেছে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী। সর্বশেষ গতকাল বুধবার ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে হুতিরা। সেই ক্ষেপণাস্ত্র ইন্টারসেপ্ট বা ধ্বংস করার পর এক্সে এই হুমকি দিয়েছেন কাটজ।

ইসরায়েলি হুমকির ব্যাপারে হুতি গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

আরও পড়ুন :

এদিকে গাজা উপত্যকায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির জন্য প্রয়োজনীয় শর্তগুলো ইসরায়েল মেনে নিয়েছে—এমনই দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে হামাস এ প্রস্তাব গ্রহণ করবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) এক বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, ‘এই যুদ্ধবিরতির সময়ে আমরা সব পক্ষের সঙ্গে কাজ করব যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে।’ তবে ইসরায়েল যেসব শর্তে সম্মত হয়েছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘যারা এ দুদেশের শান্তির জন্য পরিশ্রম করছে, সেই কাতার ও মিশরই এই প্রস্তাব চূড়ান্ত করবে। আমি আশা করি, হামাস এটি গ্রহণ করবে। কারণ, এর চেয়ে ভালো কিছু তারা পাবে না। বরং এ প্রস্তাব তারা না মানলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।’

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ইসরায়েলে প্রায় ১,২০০ মানুষ নিহত হওয়ার পর গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। এরপর থেকে ফিলিস্তিনের সমর্থনে লোহিত সাগরে পশ্চিমা ও ইসরায়েলি জাহাজে হামলা করছে হুতিরা। গোষ্ঠীটি নিয়মিত বিরতিতে ইসরায়েলের মূল ভূখণ্ডেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে আসছে। তবে তেলআবিবের শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এসব ক্ষেপণাস্ত্রের অধিকাংশই ব্যর্থ করে দিচ্ছে।