যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দীদের মধ্যে ২০ বছরের অধিক সাজাভোগকারী ৫৬ বন্দীকে মুক্তি দেবে। সরকার তার ক্ষমা করার ক্ষমতাবলে এসব বন্দীর সাজা মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
কারা সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (কারাগার, গণমাধ্যম) জান্নাত-উল-ফরহাদ বলেন, জেল কোডের ৫৬৯ বিধি, যা সাধারণত ‘বিশ বছরের বিধি’ নামে পরিচিত এবং ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ধারা ৪০১(১) এর অধীনে এই মুক্তি অনুমোদিত হয়েছে।
এআইজি জান্নাত-উল-ফরহাদ বলেন, ‘গতকাল (সোমবার) আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পেয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, মঙ্গলবার (১ জুলাই) বেশ কয়েকজন বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় নথি যাচাইয়ের পর দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে পর্যায়ক্রমে বাকিদের মুক্তি দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন : ঐক্য ধরে রেখে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার আহ্বান খালেদা জিয়ার
জেল কোড অনুসারে, বাংলাদেশে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের মেয়াদ ৩০ বছর হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। তবে, সরকারি বিবেচনা এবং ভালো আচরণের ভিত্তিতে, সিআরপিসির বিধি ৫৬৯ এবং ধারা ৪০১(১) অনুসারে, কমপক্ষে ২০ বছর কারাদণ্ড ভোগ করার পর, বন্দীদের প্রাথমিক মুক্তির জন্য বিবেচনা করা যেতে পারে, যার মধ্যে মওকুফও অন্তর্ভুক্ত।
তবে কোন কোন কারাগার থেকে কোন কোন বন্দী মুক্তি পেয়েছেন তাদের নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ।
ঢাকা ডেস্ক 









