কুমিল্লার মুরাদনগরের এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি ঘটনার ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দেবার অভিযোগে আরও চার জনকে আটক করে তাদের বিরুদ্ধে সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টে মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে মুরাদনগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী ঘটনাটি বৃহস্পতিবারের হলেও এটি ফেসবুকসহ সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয় শনিবার। এরপর এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এরপরই মূল অভিযুক্তের রাজনৈতিক পরিচয়ের সূত্র ধরে নানামুখী প্রচারও দেখা যায় সামাজিক মাধ্যমে।
শনিবার (২৮ জুন) গভীর রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি বিবৃতি বলেন, যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে ।
এছাড়া ওইদিন রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি জায়গায় ওই ঘটনার প্রতিবাদে মিছিল সমাবেশ হয়েছে। ঘটনার তীব্র নিন্দা ও জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন।
ওদিকে ঘটনা সম্পর্কে জানার জন্য স্থানীয় পর্যায়ে সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণির পেশার মানুষের সাথে কথা বলে নানা ধরনের বক্তব্য পাওয়া গেছে।
ঘটনার শিকার নারী কয়েকটি সংবাদমাধ্যমকে যে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, যেখানে তিনি জানিয়েছেন ‘অভিযুক্ত ব্যক্তি খারাপ উদ্দেশ্যেই তার বাসায় ঢুকে তাকে অত্যাচার করেছেন।’
‘তার সাথে অভিযুক্ত ব্যক্তির আগে থেকেই যোগাযোগ বা সম্পর্ক ছিলো’- এমন ধরনের যে প্রচার সামাজিক মাধ্যমে একটি পক্ষ করছে- তা তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তবে ওই ব্যক্তির সাথে তাদের পরিবারের অর্থনৈতিক লেনদেন সম্পর্কিত যোগাযোগ ছিল।
আরো পড়ুন: কুমিল্লায় নারী ধর্ষণ, ক্ষোভ প্রকাশ করে যা বললেন বাঁধন
এদিকে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, এ ঘটনায় জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং এর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিচার করা হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাথে সাথে ব্যবস্থা নিয়েছে। প্রধান আসামিসহ যারা ছবি ছড়িয়ে দেয়ার কাজ করেছে তার দায়িত্বহীন অপরাধমূলক কাজ করেছে। সবাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান তিনি। সূত্র: বিবিসি
ঢাকা ডেস্ক 









