হামলার পর ইরানের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই অংশ হিসেবে ইরানকে গোপনে ৩০ বিলিয়ন ডলার দিতে চেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার পাশাপাশি মার্কিনদের কথামতো চললে এই টাকা দেওয়া হবে। চারটি সূত্রের বরাত দিয়ে এই খবর দিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান বেসামরিক শক্তি উৎপাদনকারী পারমাণবিক কর্মসূচি চালাতে পারবে।
পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী আটকে থাকা সম্পদও ধীরে ধীরে ফিরে পাবে। একইসঙ্গে দেশটিকে ৩০ বিলিয়ন ডলার দেওয়া হবে। কিন্তু তার বিনিময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কথামতো চলতে হবে।
যুদ্ধ বিরতি চুক্তির পর এসব নিয়ে ইতোমধ্যে খুব গোপনে আলোচনা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সিএনএন।
সিএনএনকে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেছেন, বেশ কয়েকটি প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছে। এগুলো প্রাথমিক ও ক্রমবর্ধমান।
পাশাপাশি দুটি সূত্র সিএনএনকে অন্তত একটি প্রাথমিক খসড়া প্রস্তাব সরবরাহ করেছে। তাতে ইরানের জন্য বেশ কয়েকটি প্রণোদনার প্রস্তাব করা হয়েছে।
তবে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ সূত্রগুলো সিএনএনকে জানিয়েছে, অর্থ সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসবে না; বরং আরব অংশীদাররা এই বিল পরিশোধ করবে।
ট্রাম্প প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এই আলোচনাগুলোর নেতৃত্ব দিতে ইচ্ছুক। পারমাণবিক কর্মসূচি চালাতে কাউকে না কাউকে অর্থ দিতে হবে।
ঢাকা ডেস্ক 









