ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত শনিবার রাতে ইরানের ফোরদো, নাতাঞ্জ ও ইস্পাহান— এই তিন পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে জড়াল দেশটি।
ট্রাম্প প্রশাসনের এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান কী করতে পারে, এ প্রশ্নের জবাব খোঁজার চেষ্টা করেছেন বিবিসির প্রধান আন্তর্জাতিক সংবাদদাতা লিজ ডুসেট।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ৪৫ বছরের টানাপোড়েনের মধ্যে এটি এক বড় মোড় পরিবর্তনের মুহূর্ত।
ডুসেট জানান, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন যে আমেরিকা সীমারেখা অতিক্রম করেছে।
তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, এর অর্থ এই যে, এই হামলা নিশ্চিতভাবে এই উত্তেজনাকে নতুন পরিস্থিতিতে ফেলেছে, যা খুবই অপ্রত্যাশিত এবং বিপজ্জনক।
ডুসেট বলেন, এখন কী ঘটতে যাচ্ছে, সেটি নির্ভর করছে ইরান কেমন প্রতিক্রিয়া জানায় তার ওপর।
আরও পড়ুন : ইরান যুদ্ধের ইঙ্গিত করে আহমাদুল্লার ফেসবুক পোস্ট
তিনি যোগ করেন, এখন আর শুধু কথার লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ নেই, বরং মাটির ওপর বাস্তব যুদ্ধও ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে।
এ প্রসঙ্গে ইরানের কাছে খুব কম বিকল্প রয়েছে বলেও মনে করেন লিজ ডুসেট।
তিনি বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা সবসময়ই ‘চরম সতর্কতা’ অবলম্বন করে এসেছেন। ইরানিরা যেটাকে বলে ‘কৌশলগত ধৈর্য’ বা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় এগিয়ে চলা।
‘সেই পথেই তিনি চলেছেন। কিন্তু এখন সেই খেলা প্রায় শেষের পথে,’ যোগ করেন তিনি।
তার ভাষ্য, ‘খামেনি যদি খুব কম কিছু করেন, তাহলে সম্মান হারাবেন। আর যদি বেশি কিছু করেন, তাহলে সবকিছুই হারাতে পারেন।’
ঢাকা ডেস্ক 









