০৫:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

‘বাবাকে খুন করেছি, আমাকে নিয়ে যান’ ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বললেন তরুণী

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:১৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫
  • 53

ছবি: সংগৃহীত

বৃহষ্পতিবার (৮ মে) ভোরে সাভার পৌরসভার মজিদপুর কাঠালবাগান থেকে এক তরুণী ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে জানান তিনি তার বাবাকে খুন করেছেন। এই কথা জানিয়ে তিনি আত্মসমর্পণ করতে চান এবং দ্রুত পুলিশ পাঠানোর জন্য বলেন। খুনের কারণ হিসেবে তিনি বলেন, তার বাবা তাকে চার বছর ধরে ধর্ষন করে আসছিলেন, ২০২২ সালে নাটোরের সিংড়া থানায় বাবার বিরুদ্ধেই ধর্ষণ মামলা করেন তিনি। দীর্ঘ দিন জেলখেটে জামিনে মুক্ত হন তার বাবা , কিন্তু তারপরও ভালো হন নাই। গত রাতে আবার ধর্ষন চেষ্টা করার কারণে তিনি পিতাকে খুন করেছেন।

ঘাতক কন্যার নাম জান্নাতুল জাহান শিফা (২৩) এবং নিহতের নাম আব্দুস সাত্তার (৫৫)। তিনি নাটোর জেলার সিংড়া থানার ভগা গ্রামের বাসিন্দা। স্ত্রীর মৃত্যুর পর মেয়েকে নিয়ে মজিদপুর কাঠালবাগান এলাকায় একটি বাড়ির ৫ম তলার বাসায় ভাড়া থাকতেন আব্দুস সাত্তার।

জরুরি সেবা সংস্থা ৯৯৯-এর গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ৯৯৯ থেকে সংবাদ পেয়ে সাভার থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায় এবং খুনের অভিযোগে শিফাকে গ্রেপ্তার করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জান্নাতুল জাহান শিফা জানান, তার বাবা ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। যে কারণে গতকাল বুধবার রাতে খাবারের সময় তার ভাতের মধ্যে ২০টি ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেন। পরে বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেন। ঘটনাস্থলে যাওয়া সাভার মডেল থানা পুলিশের এসআই ইমরান এ বিষয়ে ৯৯৯ কে নিশ্চিত করেন। এ সংক্রান্তে সাভার মডেল থানায় মামলা একটি মামলা করা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

‘বাবাকে খুন করেছি, আমাকে নিয়ে যান’ ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বললেন তরুণী

সর্বশেষ আপডেট : ০৪:১৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

বৃহষ্পতিবার (৮ মে) ভোরে সাভার পৌরসভার মজিদপুর কাঠালবাগান থেকে এক তরুণী ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে জানান তিনি তার বাবাকে খুন করেছেন। এই কথা জানিয়ে তিনি আত্মসমর্পণ করতে চান এবং দ্রুত পুলিশ পাঠানোর জন্য বলেন। খুনের কারণ হিসেবে তিনি বলেন, তার বাবা তাকে চার বছর ধরে ধর্ষন করে আসছিলেন, ২০২২ সালে নাটোরের সিংড়া থানায় বাবার বিরুদ্ধেই ধর্ষণ মামলা করেন তিনি। দীর্ঘ দিন জেলখেটে জামিনে মুক্ত হন তার বাবা , কিন্তু তারপরও ভালো হন নাই। গত রাতে আবার ধর্ষন চেষ্টা করার কারণে তিনি পিতাকে খুন করেছেন।

ঘাতক কন্যার নাম জান্নাতুল জাহান শিফা (২৩) এবং নিহতের নাম আব্দুস সাত্তার (৫৫)। তিনি নাটোর জেলার সিংড়া থানার ভগা গ্রামের বাসিন্দা। স্ত্রীর মৃত্যুর পর মেয়েকে নিয়ে মজিদপুর কাঠালবাগান এলাকায় একটি বাড়ির ৫ম তলার বাসায় ভাড়া থাকতেন আব্দুস সাত্তার।

জরুরি সেবা সংস্থা ৯৯৯-এর গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ৯৯৯ থেকে সংবাদ পেয়ে সাভার থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায় এবং খুনের অভিযোগে শিফাকে গ্রেপ্তার করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জান্নাতুল জাহান শিফা জানান, তার বাবা ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। যে কারণে গতকাল বুধবার রাতে খাবারের সময় তার ভাতের মধ্যে ২০টি ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেন। পরে বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেন। ঘটনাস্থলে যাওয়া সাভার মডেল থানা পুলিশের এসআই ইমরান এ বিষয়ে ৯৯৯ কে নিশ্চিত করেন। এ সংক্রান্তে সাভার মডেল থানায় মামলা একটি মামলা করা হয়েছে।