কুমিল্লার মুরাদনগরে দু’গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে এনসিপি ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। রোববার (০৫ মে) উপজেলার আল্লাহু চত্ত্বরে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং বিএনপির সাবেক এমপি শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের পক্ষে পৃথক মিছিল সমাবেশ করা হয়।
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পক্ষে ‘মুরাদনগর উপজেলার সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ’-ব্যানারে এবং শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের পক্ষে ‘সাধারণ শিক্ষার্থী ও জনতা’-ব্যানারে কর্মসূচি পালিত হয়।
কর্মসূচি থেকে উভয়পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মিছিল সমাবেশে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের অভিযোগ করেন। ঘটনার পর থেকে ওই স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে অস্থিরতা চলছে।
পাল্টাপাল্টি বক্তব্য
পাল্টাপাল্টি এ কর্মসূচিতে কাজী নোমান আহমেদ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, গত ৩০ তারিখ শিক্ষকরা আমাদেরকে জোর করে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ভূঁইয়ার পদত্যাগের মিছিল নিয়ে আসেন।
অপরদিকে, বিএনপি নেতা কায়কোবাদের অনুসারী শিক্ষার্থীরা এ অভিযোগ প্রত্যাহার করে পাল্টা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে করেছেন। তাদের দাবি, উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও তার অনুসারীরা জোরপূর্বক তাদের মিছিলে আনা হয়েছে বলে যে দাবি করেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজনৈতিক শক্তি-সামর্থ্য জানান দিতে উভয়পক্ষই নিয়মিত শোডাউন এবং মিছিল সমাবেশ করছেন। বিষয়টি নিয়ে জনসাধারণের মাঝেও উদ্বেগ উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান বলেন, গত দিন দুই পক্ষই শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। কোনো সমস্যা হয়নি। বর্তমানে যেকোনো সংঘাত এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে মুরাদনগর থানা পুলিশ।
প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাস ধরে কুমিল্লার মুরাদনগরে কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ ও উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ভূঁইয়ার সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। যার সূত্রপাত হয় গত ২৬ মার্চ রাতে। ওই রাতে চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক এক শ্রমিক দল নেতাকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টির।
ঢাকা ডেস্ক 









