দক্ষিণ ইংল্যান্ডের শিপটন বেলিঙ্গার গ্রামের বাসিন্দা ইথেল ক্যাটেরহাম, বয়স ১১৫ বছর। বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি তিনি।
কারও সঙ্গে তর্ক না করা— এটিই তার এই দীর্ঘ জীবনের রহস্য বলে জানিয়েছেন এই নারী।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান জেরেন্টোলজি রিসার্চ গ্রুপের (জিআরজি) তথ্যমতে, গত বুধবার (৩০ এপ্রিল) ব্রাজিলিয়ান সিস্টার ইনাহ কানাবারো ১১৬ বছর বয়সে মারা যান।
এরপর থেকে ইথেলই বর্তমানে বিশ্বে সবচেয়ে প্রবীণ ব্যক্তি।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধেরও পাঁচ বছর আগে অর্থাৎ ১৯০৯ সালের ২১ আগস্ট শিপটন বেলিঙ্গা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন ইথেল। আট ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়।
নিজের এই দীর্ঘ জীবনের রহস্য জানতে চাইলে ইথেল বলেন, ‘আমি কখনো কারও সঙ্গে তর্ক করি না। আমি সবার কথা শুনি, তবে যেটা আমার ভালো লাগে সেটিই করি।’
আরও পড়ুন : পাকিস্তানি রেঞ্জারকে আটক করল বিএসএফ, সীমান্তে ভয়াবহ সংঘর্ষ
ইথেল তার জীবনে বেশ ঘোরাঘুরিও করেছেন। তিনি মাত্র ১৮ বছর বয়সে একটি ব্রিটিশ পরিবারে সঙ্গে শিশুদের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে ভারতে এসেছিলেন।
তিন বছর থাকার পরে আবার ইংল্যান্ডে ফিরে যান।
জিআরজির ভাষ্যে, ইথেলের স্বামী নরম্যান ব্রিটিশ আর্মিতে মেজর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৩১ সালে একটি ডিনার পার্টিতে তাদের পরিচয় হয়েছিল।
চাকরি সূত্রে পরে হংকং ও জিব্রাল্টারেও ছিলেন তারা। এই দম্পতির দুই কন্যাসন্তান রয়েছে। নরম্যান ১৯৭৬ সালে মারা গিয়েছিলেন।
ইথেল বর্তমানে হলমার্ক লেকভিউ লাক্সারি কেয়ার হোম নামক একটি পরিচর্যাকেন্দ্রে রয়েছেন।
সেখান থেকেই গত বৃহস্পতিবার (১ মে) ১১৫ লেখা একটি মুকুট পরিয়ে কেক কাটা অবস্থায় তার একটি ছবি দেওয়া হয় ফেসবুকে।
সেখানে পৃথিবীর প্রবীণতম ব্যক্তি হওয়ার জন্য ইথেলকে অভিনন্দন জানানো হয়।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী, ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সী ব্যক্তি ছিলেন ফ্রান্সের জ্যাঁ কালমঁ, যিনি বেঁচে ছিলেন ১২২ বছর ১৬৪ দিন।
ঢাকা ডেস্ক 









