মহান মে দিবস উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি সমর্থিত শ্রমিক দলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে দুপুরের আগেই সৃষ্টি হয় জনস্রোত। খণ্ড খণ্ড মিছিল আর স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।
বৃহস্পতিবার (০১ মে) সকাল থেকেই বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘিরে জমায়েত শুরু করেন দলটির নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের সদস্যরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা রূপ নেয় জনসমুদ্রে।
প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত, অর্থাৎ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দেখা যায়—লাল ফিতা বাঁধা শ্রমিকেরা হাতে বিভিন্ন দাবি-দাওয়াসংবলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে সমাবেশস্থলে অংশ নিচ্ছেন। মিছিল আর স্লোগানে মুখর নয়াপল্টন এলাকার চারপাশ। সমাবেশ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তরফে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
অনেকেই জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন পর এমন বড় কর্মসূচিতে অংশ নিতে পেরে তারা ভীষণ উচ্ছ্বসিত।
মোহাম্মদপুর থেকে আসা এক পোশাক শ্রমিক বলেন, ‘অনেকদিন পরে আমরা সবাই একত্রিত হতে পারলাম। এই অনুভূতি ভাষায় বোঝানো যাবে না।’
সমাবেশে যোগ দিতে যাত্রাবাড়ী থেকে আসা শ্রমিক নেতা রাজিব বলেন, ‘স্বৈরাচারের আমলে সমাবেশ করতে পারিনি। আজকের এই বিশাল উপস্থিতি প্রমাণ করে ভবিষ্যতে দেশ চালাবে বিএনপি, তারেক রহমান।’
‘মে দিবস বুঝি না, একদিন কাজ না করলে ভাত জোগাড় হবে না’‘মে দিবস বুঝি না, একদিন কাজ না করলে ভাত জোগাড় হবে না’
দুপুর ২টায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এছাড়াও বক্তব্য দেবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খানসহ শীর্ষস্থানীয় নেতারা।
উল্লেখ্য, এই সমাবেশ থেকেই শ্রমিক দল তাদের ১২ দফা দাবি তুলে ধরবে।
ঢাকা ডেস্ক 









