০৩:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্রবাহী জাহাজের প্রযুক্তি ইরানের হাতে

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৫০:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫
  • 66

পারস্য উপসাগরে ইরানী যুদ্ধজাহাজ। পুরোনো ছবি

ইরান ঘণ্টায় ১১৬ নট (২১৫ কিলোমিটার) গতিসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্রবাহী যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের প্রযুক্তি অর্জন করেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির নৌ কমান্ডার আলী রেজা তাংসিরি।

এই যুদ্ধজাহাজ ক্ষেপণাস্ত্র বহনের পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপও করতে পারে।

স্থানীয় সময় বুধবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় পারস্য উপসাগর দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

এ সময় তিনি বিভিন্ন ধরনের জাহাজ, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং সাবমেরিন তৈরিতে আইআরজিসির নৌবাহিনীর স্বনির্ভরতা উপর জোর দেন।

পার্সটুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ১১৬ নট গতিসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র-উৎক্ষেপণকারী জাহাজটি প্রযুক্তিগত দিকসহ অন্যান্য পরীক্ষায় সফল হয়েছে।

নতুন এই যুদ্ধ জাহাজ পারস্য উপসাগরের পানিসীমায় অভিযান পরিচালনার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

 

আরও পড়ুন : ২৫ দেশে ট্রাক্টর রপ্তানি করে ইরান

 

তিনি আরও বলেছেন, ইসলামী বিপ্লব বিজয়ের আগে ইরান একটি ছোট মাছ ধরার নৌকাও তৈরি করতে পারত না। মার্কিন কোম্পানিগুলো এই কাজটি করে দিত।

‘কিন্তু আজ আমরা সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে শহীদ সোলাইমানি যুদ্ধজাহাজ তৈরি করেছি, যা সমুদ্রে ৫,০০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত অবিরাম যাত্রা করতে সক্ষম,’ বলেন তিনি।

কমান্ডার বলেন, ১,৭৩৫ কিলোমিটার সরাসরি উপকূলরেখা রয়েছে, আর দ্বীপপুঞ্জসহ তা দাঁড়ায় ৫,৮০০ কিলোমিটারে। এ কারণে ইরান এই অঞ্চলে অনন্য অবস্থানে রয়েছে।

ইরানের অতীত ও গর্ব

অতীতে পারস্য উপসাগরে পর্তুগিজদের ১১৭ বছরের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যখন তেল বা গ্যাস আবিষ্কার হয়নি তখনও তাদের এই উপস্থিতি থেকে প্রমাণিত হয় এই অঞ্চলের ঐতিহাসিক এবং কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে।

তিনি বলেন, বিশ্বের তেল ও গ্যাস রপ্তানিতে এই অঞ্চলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই অঞ্চলের ৪০ শতাংশ গ্যাস এবং ৬২ শতাংশ তেল পারস্য উপসাগর থেকে রপ্তানি হয়।

‘আমরা বারবার এই অঞ্চলের দেশগুলোতে শান্তি ও বন্ধুত্বের বার্তা পাঠিয়েছি এবং আমরা সর্বদা শান্তি, বন্ধুত্ব এবং ভ্রাতৃত্ব কামনা করছি,’ যোগ করেন কমান্ডার।

‘হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন ৮০টিরও বেশি জাহাজ চলাচল করে, গুরুত্বপূর্ণ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে আইআরজিসির নৌ ইউনিটের জন্য গর্বের বিষয়’, বলেন তিনি।

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্রবাহী জাহাজের প্রযুক্তি ইরানের হাতে

সর্বশেষ আপডেট : ০৯:৫০:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫

ইরান ঘণ্টায় ১১৬ নট (২১৫ কিলোমিটার) গতিসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্রবাহী যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের প্রযুক্তি অর্জন করেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির নৌ কমান্ডার আলী রেজা তাংসিরি।

এই যুদ্ধজাহাজ ক্ষেপণাস্ত্র বহনের পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপও করতে পারে।

স্থানীয় সময় বুধবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় পারস্য উপসাগর দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।

এ সময় তিনি বিভিন্ন ধরনের জাহাজ, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং সাবমেরিন তৈরিতে আইআরজিসির নৌবাহিনীর স্বনির্ভরতা উপর জোর দেন।

পার্সটুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ১১৬ নট গতিসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র-উৎক্ষেপণকারী জাহাজটি প্রযুক্তিগত দিকসহ অন্যান্য পরীক্ষায় সফল হয়েছে।

নতুন এই যুদ্ধ জাহাজ পারস্য উপসাগরের পানিসীমায় অভিযান পরিচালনার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

 

আরও পড়ুন : ২৫ দেশে ট্রাক্টর রপ্তানি করে ইরান

 

তিনি আরও বলেছেন, ইসলামী বিপ্লব বিজয়ের আগে ইরান একটি ছোট মাছ ধরার নৌকাও তৈরি করতে পারত না। মার্কিন কোম্পানিগুলো এই কাজটি করে দিত।

‘কিন্তু আজ আমরা সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে শহীদ সোলাইমানি যুদ্ধজাহাজ তৈরি করেছি, যা সমুদ্রে ৫,০০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত অবিরাম যাত্রা করতে সক্ষম,’ বলেন তিনি।

কমান্ডার বলেন, ১,৭৩৫ কিলোমিটার সরাসরি উপকূলরেখা রয়েছে, আর দ্বীপপুঞ্জসহ তা দাঁড়ায় ৫,৮০০ কিলোমিটারে। এ কারণে ইরান এই অঞ্চলে অনন্য অবস্থানে রয়েছে।

ইরানের অতীত ও গর্ব

অতীতে পারস্য উপসাগরে পর্তুগিজদের ১১৭ বছরের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যখন তেল বা গ্যাস আবিষ্কার হয়নি তখনও তাদের এই উপস্থিতি থেকে প্রমাণিত হয় এই অঞ্চলের ঐতিহাসিক এবং কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে।

তিনি বলেন, বিশ্বের তেল ও গ্যাস রপ্তানিতে এই অঞ্চলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই অঞ্চলের ৪০ শতাংশ গ্যাস এবং ৬২ শতাংশ তেল পারস্য উপসাগর থেকে রপ্তানি হয়।

‘আমরা বারবার এই অঞ্চলের দেশগুলোতে শান্তি ও বন্ধুত্বের বার্তা পাঠিয়েছি এবং আমরা সর্বদা শান্তি, বন্ধুত্ব এবং ভ্রাতৃত্ব কামনা করছি,’ যোগ করেন কমান্ডার।

‘হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন ৮০টিরও বেশি জাহাজ চলাচল করে, গুরুত্বপূর্ণ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে আইআরজিসির নৌ ইউনিটের জন্য গর্বের বিষয়’, বলেন তিনি।