০৫:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

‘ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতিতে আগুন দেয়া ব্যক্তি শনাক্ত’

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:১৪:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫
  • 56

ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতিতে আগুন দেয়া ব্যক্তি শনাক্ত। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) চারুকলা অনুষদে নববর্ষের শোভাযাত্রা উদযাপনের জন্য তৈরি দুটি ‘মোটিফে’ আগুন দেয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ।

তিনি জানান, ওই শিক্ষার্থীর নাম রবিউল ইসলাম রাকিব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি আগে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

রোববার (১৩ এপ্রিল) সকালে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আনন্দ শোভাযাত্রার আগেই এই দুর্বৃত্তকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।

এর আগে, শনিবার (১২ এপ্রিল) ভোরে নববর্ষের শোভাযাত্রার জন্য বানানো ‘ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি’ ও ‘শান্তির পায়রা’ মোটিফ দুটি আগুনে পুড়ে যায়। এর মধ্যে শান্তির পায়রা মোটিফটি আংশিক পুড়লেও, পুরোপুরি পুড়ে যায় ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতির মোটিফটি। পরে ওইদিন বিকেলে ঢাবি প্রশাসনের পক্ষ থেকে শাহবাগ থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

‘ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতিতে আগুন দেয়া ব্যক্তি শনাক্ত’

সর্বশেষ আপডেট : ০৬:১৪:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) চারুকলা অনুষদে নববর্ষের শোভাযাত্রা উদযাপনের জন্য তৈরি দুটি ‘মোটিফে’ আগুন দেয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ।

তিনি জানান, ওই শিক্ষার্থীর নাম রবিউল ইসলাম রাকিব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি আগে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

রোববার (১৩ এপ্রিল) সকালে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আনন্দ শোভাযাত্রার আগেই এই দুর্বৃত্তকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।

এর আগে, শনিবার (১২ এপ্রিল) ভোরে নববর্ষের শোভাযাত্রার জন্য বানানো ‘ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি’ ও ‘শান্তির পায়রা’ মোটিফ দুটি আগুনে পুড়ে যায়। এর মধ্যে শান্তির পায়রা মোটিফটি আংশিক পুড়লেও, পুরোপুরি পুড়ে যায় ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতির মোটিফটি। পরে ওইদিন বিকেলে ঢাবি প্রশাসনের পক্ষ থেকে শাহবাগ থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।