১১:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

বৃষ্টিবলয়ে সারা দেশ, ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:১৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫
  • 77

দেশের আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে নতুন বার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)। আবহাওয়া বিষয়ক এ সংগঠনটি জানিয়েছে, বৃষ্টিবলয়ে প্রবেশ করায় আগামী ১৩ দিন দেশের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে কালবৈশাখী ঝড় এবং বজ্রপাতের শঙ্কাও আছে বলেও জানা গেছে

এ ছাড়া কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানিয়েছেন ১০ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত বৃষ্টিবলয়ের প্রভাবে শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টির প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।

দেশের ৮ বিভাগের ৬৪ জেলার ওপর দিয়েই তীব্র বজ্রপাত, শিলাবৃষ্টিসহ কালবৈশাখী ঝড় অতিক্রমের প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

অপেক্ষাকৃত বেশি পরিমাণে সিলেট, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোতে বৃষ্টির আশঙ্কা করা যাচ্ছে। আর ঢাকা শহরের ওপর দিয়েও শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড়, তীব্র বজ্রপাত অতিক্রমেরও আশঙ্কা করা যাচ্ছে।

এদিকে বিডব্লিউওটি জানায়, চলতি বছরের দ্বিতীয় ক্রান্তীয় বৃষ্টিবলয়ে প্রবেশ করেছে দেশ। যা আজ (১০ এপ্রিল) এবং আগামীকাল চট্টগ্রাম, রংপুর, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ বিভাগে বেশি সক্রিয় হতে পারে ও পরবর্তী সময়ে ১৪ এপ্রিল থেকে দেশের অনেক এলাকায় সক্রিয় হতে পারে।

আরও পড়ুন : ‘ভারতের চেয়ে বেশি কেউ বাংলাদেশের মঙ্গল চায় না’

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকবে সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ বিভাগে। মাঝারি ধরনের সক্রিয় থাকবে রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে এবং কম সক্রিয় থাকবে খুলনা ও বরিশালে।

সংস্থাটি জানায়, এই বৃষ্টিবলয় আজ থেকে আগামী ২২ এপ্রিল পর্যন্ত সক্রিয় থাকবে। এই ১৩ দিনের বৃষ্টিবলয়ের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় কালবৈশাখী ও তীব্র বজ্রপাত হতে পারে। এই বৃষ্টিবলয়টি আজ উত্তরবঙ্গ রংপুর বিভাগ ও কক্সবাজার হয়ে দেশে প্রবেশ করতে পারে ও ২২ এপ্রিল সিলেট হয়ে দেশ ত্যাগ করতে পারে। বৃষ্টিবলয় চলাকালীন সময়ে দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ এলাকায় পানি সেচের চাহিদা পূরণ হতে পারে।

সংস্থাটি আরও জানায়, বৃষ্টিবলয়ের এই সময়ে ঢাকায় ৫০ থেকে ৭০ মিলিমিটার, খুলনা বিভাগে ২০ থেকে ৩০ মিলিমিটার, বরিশাল বিভাগে ২০ থেকে ৩৫ মিলিমিটার, সিলেটে ৯০ থেকে ১৩০ মিলিমিটার, ময়মনসিংহ বিভাগে ৫০ থেকে ৭০ মিলিমিটার, রাজশাহী বিভাগে ৩০ থেকে ৪৫ মিলিমিটার, রংপুরে ৬০ থেকে ৯০ মিলিমিটার এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ১৫ থেকে ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

বৃষ্টিবলয়ে সারা দেশ, ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী

সর্বশেষ আপডেট : ০৮:১৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫

দেশের আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে নতুন বার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)। আবহাওয়া বিষয়ক এ সংগঠনটি জানিয়েছে, বৃষ্টিবলয়ে প্রবেশ করায় আগামী ১৩ দিন দেশের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে কালবৈশাখী ঝড় এবং বজ্রপাতের শঙ্কাও আছে বলেও জানা গেছে

এ ছাড়া কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানিয়েছেন ১০ থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত বৃষ্টিবলয়ের প্রভাবে শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টির প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।

দেশের ৮ বিভাগের ৬৪ জেলার ওপর দিয়েই তীব্র বজ্রপাত, শিলাবৃষ্টিসহ কালবৈশাখী ঝড় অতিক্রমের প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

অপেক্ষাকৃত বেশি পরিমাণে সিলেট, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোতে বৃষ্টির আশঙ্কা করা যাচ্ছে। আর ঢাকা শহরের ওপর দিয়েও শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড়, তীব্র বজ্রপাত অতিক্রমেরও আশঙ্কা করা যাচ্ছে।

এদিকে বিডব্লিউওটি জানায়, চলতি বছরের দ্বিতীয় ক্রান্তীয় বৃষ্টিবলয়ে প্রবেশ করেছে দেশ। যা আজ (১০ এপ্রিল) এবং আগামীকাল চট্টগ্রাম, রংপুর, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ বিভাগে বেশি সক্রিয় হতে পারে ও পরবর্তী সময়ে ১৪ এপ্রিল থেকে দেশের অনেক এলাকায় সক্রিয় হতে পারে।

আরও পড়ুন : ‘ভারতের চেয়ে বেশি কেউ বাংলাদেশের মঙ্গল চায় না’

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকবে সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ বিভাগে। মাঝারি ধরনের সক্রিয় থাকবে রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে এবং কম সক্রিয় থাকবে খুলনা ও বরিশালে।

সংস্থাটি জানায়, এই বৃষ্টিবলয় আজ থেকে আগামী ২২ এপ্রিল পর্যন্ত সক্রিয় থাকবে। এই ১৩ দিনের বৃষ্টিবলয়ের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় কালবৈশাখী ও তীব্র বজ্রপাত হতে পারে। এই বৃষ্টিবলয়টি আজ উত্তরবঙ্গ রংপুর বিভাগ ও কক্সবাজার হয়ে দেশে প্রবেশ করতে পারে ও ২২ এপ্রিল সিলেট হয়ে দেশ ত্যাগ করতে পারে। বৃষ্টিবলয় চলাকালীন সময়ে দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ এলাকায় পানি সেচের চাহিদা পূরণ হতে পারে।

সংস্থাটি আরও জানায়, বৃষ্টিবলয়ের এই সময়ে ঢাকায় ৫০ থেকে ৭০ মিলিমিটার, খুলনা বিভাগে ২০ থেকে ৩০ মিলিমিটার, বরিশাল বিভাগে ২০ থেকে ৩৫ মিলিমিটার, সিলেটে ৯০ থেকে ১৩০ মিলিমিটার, ময়মনসিংহ বিভাগে ৫০ থেকে ৭০ মিলিমিটার, রাজশাহী বিভাগে ৩০ থেকে ৪৫ মিলিমিটার, রংপুরে ৬০ থেকে ৯০ মিলিমিটার এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ১৫ থেকে ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হতে পারে।