০১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

ছাত্রী মোটা না চিকন দেখার জন্য ইবি শিক্ষকের ভিডিও কল

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:৪৬:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
  • 124

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সহযোগী অধ্যাপকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

তিনি বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক।

প্রায় এক ডজন ছাত্রী লিখিতভাবে বিভাগের সভাপতির কাছে অভিযোগ জানান। এর পরই এ ঘটনা প্রকাশ্যে আসে, যা নেট দুনিয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।

অভিযোগপত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক ড. আজিজুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরেই ছাত্রীদের প্রতি কুরুচিপূর্ণ আচরণ করে আসছিলেন।

অভিযোগে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের ভিডিও ও অডিও কলের মাধ্যমে অশোভন প্রশ্ন করা, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেন ওই শিক্ষক।

ক্লাসে ইঙ্গিতপূর্ণ ও অবমাননাকর কথা বলা, এমনকি শারীরিক গঠন নিয়েও বিদ্রূপ করেন তিনি।

কেউ এসব আচরণের প্রতিবাদ করলে রেজাল্ট খারাপ করার হুমকিও দেওয়া হতো বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের মধ্যে একজন জানান, এক পর্যায়ে ভিডিও কলে ছাত্রীদের শারীরিক পরিবর্তন দেখতে চাওয়ার মতো অদ্ভুত ও অশালীন আচরণও করেছিলেন শিক্ষক।

বিবাহিত ছাত্রীদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়েও নানা ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য করতেন তিনি।

অভিযোগগুলো প্রাথমিকভাবে যাচাই করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে অভিযুক্ত শিক্ষককে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিভাগের সকল কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে।

বিভাগের সভাপতি জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে এবং প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্রমূলক।

এ ঘটনার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকে এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

ছাত্রী মোটা না চিকন দেখার জন্য ইবি শিক্ষকের ভিডিও কল

সর্বশেষ আপডেট : ০৫:৪৬:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সহযোগী অধ্যাপকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

তিনি বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক।

প্রায় এক ডজন ছাত্রী লিখিতভাবে বিভাগের সভাপতির কাছে অভিযোগ জানান। এর পরই এ ঘটনা প্রকাশ্যে আসে, যা নেট দুনিয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।

অভিযোগপত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক ড. আজিজুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরেই ছাত্রীদের প্রতি কুরুচিপূর্ণ আচরণ করে আসছিলেন।

অভিযোগে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের ভিডিও ও অডিও কলের মাধ্যমে অশোভন প্রশ্ন করা, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন নিয়ে অশালীন মন্তব্য করেন ওই শিক্ষক।

ক্লাসে ইঙ্গিতপূর্ণ ও অবমাননাকর কথা বলা, এমনকি শারীরিক গঠন নিয়েও বিদ্রূপ করেন তিনি।

কেউ এসব আচরণের প্রতিবাদ করলে রেজাল্ট খারাপ করার হুমকিও দেওয়া হতো বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

ভুক্তভোগীদের মধ্যে একজন জানান, এক পর্যায়ে ভিডিও কলে ছাত্রীদের শারীরিক পরিবর্তন দেখতে চাওয়ার মতো অদ্ভুত ও অশালীন আচরণও করেছিলেন শিক্ষক।

বিবাহিত ছাত্রীদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়েও নানা ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত মন্তব্য করতেন তিনি।

অভিযোগগুলো প্রাথমিকভাবে যাচাই করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে অভিযুক্ত শিক্ষককে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিভাগের সকল কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে।

বিভাগের সভাপতি জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে এবং প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্রমূলক।

এ ঘটনার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেকে এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।