১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

কুমিল্লার ধর্ষণের ঘটনায় এবার নতুন চাঞ্চল্য

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:৪২:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
  • 125

প্রতীকী ছবি

কুমিল্লায় হিন্দু নারীকে ধর্ষণের ঘটনা এবার ভিন্ন দিকে মোড় নিয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, এটি ধর্ষণ নয়, বরং পরকীয়া। তবে ভুক্তভোগী নারী বলেছেন, ধর্ষণ বা পরকীয়া কোনোটিই নয়। ফজর আলীর সঙ্গে তার শুধু অর্থিক লেনদেনের সম্পর্ক।

যদিও এ ঘটনায় পুলিশ ফজর আলীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তারও করেছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) রাতে কুমিল্লার মুরাদনগরে বহেরচর গ্রামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। সে সময় ফজর আলী নামে এক ব্যক্তিকে গণপিটুনি দেয় স্থানীয় জনতা। পরে সে পালিয়ে যায়।

এদিকে ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে এক

বিবস্ত্র হিন্দু নারীকে দেখা যায়। বলা হয়, এই বিবস্ত্র নারীই ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

ভিডিওটি মুহুর্তে দেশে ভাইরাল হয় এবং এ নিয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ শুরু হয় সামাজিক মাধ্যমে। অনেকে এই ঘটনায় দায়ীদের দৃষ্ঠান্তমূলক বিচার দাবি করেন।

আরও পড়ুন : দুলাভাইয়ের সঙ্গে শ্যালিকা উধাও, চাঞ্চল্যের সৃষ্টি

পরে অভিযুক্ত ফজর আলীকে ঢাকার সায়দাবাদ থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পাশাপাশি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাহেরচর গ্রামের সুমন, রমজান, আরিফ ও অনিককেও গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু ঘটনার মোড় ঘুড়িয়ে দেন ভুক্তভোগী নারী নিজেই। এ ঘটনায় করা মামলা প্রত্যাহারের কথা জানান তিনি।

ওই নারী জানান, তার স্বামী বিদেশ থাকেন। তিনি মাঝেমধ্যে স্বামীর বাড়ি থেকে নিজের বাড়িতে আসেন। এরই ফাঁকে ফজর আলীর সাথে তার সখ্য গড়ে ওঠে।

প্রতিবেশীরা জানান, আওয়ামী লীগ আমলে ফজর আলী ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের দাপটে চলাফেরা করতো। সে কারণে প্রতিবেশীরা তার অবাধ যাতায়াতের প্রতিবাদ করতে পারেনি।

সম্প্রতি ওই নারী বাবার বাড়িতে এসে ফজর আলীকে রাতে আসতে বলেন। বিষয়টি স্থানীয়রা বুঝতে পেরে একই ঘরে ওই নারী ও ফজর আলীকে বিবস্ত্র অবস্থায় আটক করেন। যা পরবর্তীতে হিন্দু মহিলাকে ধর্ষণ বলে প্রচার ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

কুমিল্লার ধর্ষণের ঘটনায় এবার নতুন চাঞ্চল্য

সর্বশেষ আপডেট : ১১:৪২:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

কুমিল্লায় হিন্দু নারীকে ধর্ষণের ঘটনা এবার ভিন্ন দিকে মোড় নিয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, এটি ধর্ষণ নয়, বরং পরকীয়া। তবে ভুক্তভোগী নারী বলেছেন, ধর্ষণ বা পরকীয়া কোনোটিই নয়। ফজর আলীর সঙ্গে তার শুধু অর্থিক লেনদেনের সম্পর্ক।

যদিও এ ঘটনায় পুলিশ ফজর আলীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তারও করেছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) রাতে কুমিল্লার মুরাদনগরে বহেরচর গ্রামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। সে সময় ফজর আলী নামে এক ব্যক্তিকে গণপিটুনি দেয় স্থানীয় জনতা। পরে সে পালিয়ে যায়।

এদিকে ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে এক

বিবস্ত্র হিন্দু নারীকে দেখা যায়। বলা হয়, এই বিবস্ত্র নারীই ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

ভিডিওটি মুহুর্তে দেশে ভাইরাল হয় এবং এ নিয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ শুরু হয় সামাজিক মাধ্যমে। অনেকে এই ঘটনায় দায়ীদের দৃষ্ঠান্তমূলক বিচার দাবি করেন।

আরও পড়ুন : দুলাভাইয়ের সঙ্গে শ্যালিকা উধাও, চাঞ্চল্যের সৃষ্টি

পরে অভিযুক্ত ফজর আলীকে ঢাকার সায়দাবাদ থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পাশাপাশি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাহেরচর গ্রামের সুমন, রমজান, আরিফ ও অনিককেও গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু ঘটনার মোড় ঘুড়িয়ে দেন ভুক্তভোগী নারী নিজেই। এ ঘটনায় করা মামলা প্রত্যাহারের কথা জানান তিনি।

ওই নারী জানান, তার স্বামী বিদেশ থাকেন। তিনি মাঝেমধ্যে স্বামীর বাড়ি থেকে নিজের বাড়িতে আসেন। এরই ফাঁকে ফজর আলীর সাথে তার সখ্য গড়ে ওঠে।

প্রতিবেশীরা জানান, আওয়ামী লীগ আমলে ফজর আলী ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের দাপটে চলাফেরা করতো। সে কারণে প্রতিবেশীরা তার অবাধ যাতায়াতের প্রতিবাদ করতে পারেনি।

সম্প্রতি ওই নারী বাবার বাড়িতে এসে ফজর আলীকে রাতে আসতে বলেন। বিষয়টি স্থানীয়রা বুঝতে পেরে একই ঘরে ওই নারী ও ফজর আলীকে বিবস্ত্র অবস্থায় আটক করেন। যা পরবর্তীতে হিন্দু মহিলাকে ধর্ষণ বলে প্রচার ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়।