০১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

‘প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা’

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:০০:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫
  • 105

ছবি: সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ও বিভ্রান্তি ছড়ানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির।

মঙ্গলবার (২৪ জুন) বাংলাদেশ বার্তা সংস্থা বাসসকে তিনি বলেন, ‘২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুশৃঙ্খল এবং নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজনের লক্ষ্যে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সম্ভাব্য সকল পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে কঠোর নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।’

শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, ‘কোনো গুজব রটানো হলে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে বিবেচিত হবে। আমরা প্রশ্ন ফাঁসের গুজবকে গুরুত্ব দিচ্ছি না এবং এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘গুজব কিংবা প্রশ্নের পেছনে না ছুটে পাঠ্যবইয়ের প্রতি মনোযোগ দিন। কোনোভাবেই অর্থ ও সময় অপচয় করবেন না। নিয়মিত অধ্যয়নই সাফল্যের একমাত্র চাবিকাঠি।’

পরীক্ষাকেন্দ্রের আশপাশে ভিড় না করার আহ্বান জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, ‘পরীক্ষা চলাকালীন স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অভিভাবকদেরও অনুরোধ করছি পরীক্ষাকেন্দ্রের আশপাশে ভিড় না করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সহযোগিতামূলক ভূমিকা রাখুন।’

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এসএম কামাল উদ্দিন হায়দার বাসসকে জানান, ‘সারাদেশে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে শতভাগ প্রস্তুতি রয়েছে। ইতোমধ্যে সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

রাজশাহী বোর্ডে একটি প্রশ্ন সংক্রান্ত জটিলতা দেখা দেওয়ায় সেটি বাতিল করা হয়েছে। আমাদের হাতে বিকল্প প্রশ্নপত্রের সেট প্রস্তুত রয়েছে। পরীক্ষায় কোনও ব্যাঘাত ঘটবে না।’

আগামী ২৬ জুন বৃহস্পতিবার থেকে সারাদেশে একযোগে উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। এই পাবলিক পরীক্ষায় এবার অংশ নিচ্ছে ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন পরীক্ষার্থী।

১১ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ ছাত্র এবং ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন ছাত্রী।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের আওতায় রয়েছে ১০ লাখ ৫৫ হাজার ৩৯৮ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (আলিম) থেকে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৮৬ হাজার ১০২ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে অংশ নিচ্ছে ১ লাখ ৯ হাজার ৬১১ জন।

এ বছর দেশে মোট পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৭৯৭টি। দেশের বাইরে মোট ৮টি কেন্দ্রে অংশ নিচ্ছে বিদেশে অবস্থারত ২৯৩ জন পরীক্ষার্থী। এ বছর মোট ৯ হাজার ৩১৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। কেউ নির্দেশ অমান্য করে কোচিং সেন্টার খোলা রাখলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরীক্ষাকেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মোবাইল ফোনসহ কোনও ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সম্প্রতি শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরারের (সি আর আবরার) সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজনের লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের মধ্যে রয়েছে- প্রশ্ন ফাঁস সংক্রান্ত গুজব ছড়ানো এবং নকল সরবরাহে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ। পরীক্ষা চলাকালে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে।

সাইবার অপরাধ দমন ও তথ্য আদান-প্রদানের জন্য নির্ধারিত হটলাইন নম্বর (০১৩২০০১০১৪৮)-এ সার্বক্ষণিক যোগাযোগের নির্দেশনা। পরীক্ষাকেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগকে অবহিত করা।

আরো পড়ুন: ইসরাইলকে সতর্ক করে যা বললেন ট্রাম্প

পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পরে কেউ কেন্দ্রে প্রবেশ করলে, তার নাম, রোল, প্রবেশের সময় ও বিলম্বের কারণ রেজিস্টারে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে অবহিত করতে হবে।

এছাড়া, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্য অনিবার্য কারণে কোনো কেন্দ্রে পরীক্ষা বিলম্বে শুরু হলে, বিলম্বের সময় হিসাব করে অতিরিক্ত সময় পরীক্ষার্থীদের প্রদান করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয় এবং অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আশা করছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

‘প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা’

সর্বশেষ আপডেট : ০৯:০০:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ও বিভ্রান্তি ছড়ানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির।

মঙ্গলবার (২৪ জুন) বাংলাদেশ বার্তা সংস্থা বাসসকে তিনি বলেন, ‘২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুশৃঙ্খল এবং নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজনের লক্ষ্যে আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সম্ভাব্য সকল পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে কঠোর নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।’

শিক্ষাবোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, ‘কোনো গুজব রটানো হলে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে বিবেচিত হবে। আমরা প্রশ্ন ফাঁসের গুজবকে গুরুত্ব দিচ্ছি না এবং এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘গুজব কিংবা প্রশ্নের পেছনে না ছুটে পাঠ্যবইয়ের প্রতি মনোযোগ দিন। কোনোভাবেই অর্থ ও সময় অপচয় করবেন না। নিয়মিত অধ্যয়নই সাফল্যের একমাত্র চাবিকাঠি।’

পরীক্ষাকেন্দ্রের আশপাশে ভিড় না করার আহ্বান জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, ‘পরীক্ষা চলাকালীন স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অভিভাবকদেরও অনুরোধ করছি পরীক্ষাকেন্দ্রের আশপাশে ভিড় না করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সহযোগিতামূলক ভূমিকা রাখুন।’

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এসএম কামাল উদ্দিন হায়দার বাসসকে জানান, ‘সারাদেশে পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে শতভাগ প্রস্তুতি রয়েছে। ইতোমধ্যে সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

রাজশাহী বোর্ডে একটি প্রশ্ন সংক্রান্ত জটিলতা দেখা দেওয়ায় সেটি বাতিল করা হয়েছে। আমাদের হাতে বিকল্প প্রশ্নপত্রের সেট প্রস্তুত রয়েছে। পরীক্ষায় কোনও ব্যাঘাত ঘটবে না।’

আগামী ২৬ জুন বৃহস্পতিবার থেকে সারাদেশে একযোগে উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। এই পাবলিক পরীক্ষায় এবার অংশ নিচ্ছে ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন পরীক্ষার্থী।

১১ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ ছাত্র এবং ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ জন ছাত্রী।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের আওতায় রয়েছে ১০ লাখ ৫৫ হাজার ৩৯৮ জন। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (আলিম) থেকে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৮৬ হাজার ১০২ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে অংশ নিচ্ছে ১ লাখ ৯ হাজার ৬১১ জন।

এ বছর দেশে মোট পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৭৯৭টি। দেশের বাইরে মোট ৮টি কেন্দ্রে অংশ নিচ্ছে বিদেশে অবস্থারত ২৯৩ জন পরীক্ষার্থী। এ বছর মোট ৯ হাজার ৩১৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশে সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। কেউ নির্দেশ অমান্য করে কোচিং সেন্টার খোলা রাখলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরীক্ষাকেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মোবাইল ফোনসহ কোনও ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সম্প্রতি শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরারের (সি আর আবরার) সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজনের লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের মধ্যে রয়েছে- প্রশ্ন ফাঁস সংক্রান্ত গুজব ছড়ানো এবং নকল সরবরাহে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ। পরীক্ষা চলাকালে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে।

সাইবার অপরাধ দমন ও তথ্য আদান-প্রদানের জন্য নির্ধারিত হটলাইন নম্বর (০১৩২০০১০১৪৮)-এ সার্বক্ষণিক যোগাযোগের নির্দেশনা। পরীক্ষাকেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগকে অবহিত করা।

আরো পড়ুন: ইসরাইলকে সতর্ক করে যা বললেন ট্রাম্প

পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পরে কেউ কেন্দ্রে প্রবেশ করলে, তার নাম, রোল, প্রবেশের সময় ও বিলম্বের কারণ রেজিস্টারে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে অবহিত করতে হবে।

এছাড়া, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্য অনিবার্য কারণে কোনো কেন্দ্রে পরীক্ষা বিলম্বে শুরু হলে, বিলম্বের সময় হিসাব করে অতিরিক্ত সময় পরীক্ষার্থীদের প্রদান করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয় এবং অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আশা করছে।