যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইসরায়েল দেশটির সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মাননা প্রদান করবে। সোমবার দেশটির প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ এক বিবৃতিতে জানান, গাজা থেকে বন্দিদের মুক্তি এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভূমিকা রাখায় ট্রাম্প এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারের প্রাপ্য।
হারজোগ বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অক্লান্ত প্রচেষ্টা কেবল প্রিয়জনদের ঘরে ফিরিয়ে আনতেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তিনি নিরাপত্তা, সহযোগিতা ও শান্তিপূর্ণ ভবিষ্যতের ভিত্তিতে মধ্যপ্রাচ্যে একটি নতুন যুগের সূচনা করেছেন। তাকে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের সম্মাননা পদক প্রদান করা আমার জন্য বিশেষ সম্মানের বিষয়।’
প্রেসিডেন্ট হারজোগ আরও জানান, আগামী মাসগুলোতে এই পুরস্কার প্রদান করা হবে। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের ইসরায়েল সফরের সময় ট্রাম্পকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
আরও পড়ুন : সাত ইসরায়েলি বন্দি হস্তান্তর, মুক্তির অপেক্ষায় হাজারো ফিলিস্তিনি
এছাড়া, সোমবার ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপ হিসেবে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে বন্দি বিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তার ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরায়েল আক্রমণের পর শুরু হওয়া দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটানো।
ট্রাম্প ইসরায়েল সফরে জিম্মিদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং ইসরায়েলি পার্লামেন্ট কনেসেটে ভাষণ দেবেন।
ইসরায়েলের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, এই পুরস্কার সেইসব ব্যক্তিকে প্রদান করা হয়, যারা রাষ্ট্র বা মানবতার কল্যাণে অসামান্য অবদান রেখেছেন। উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে একই সম্মাননায় ভূষিত করেছিল ইসরায়েল।
ঢাকা ডেস্ক 









