০৩:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

মেক্সিকোতে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
  • 128

মেক্সিকোতে টানা ভারী বৃষ্টিপাতের পর সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত ২৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

মেক্সিকোর জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (CNPC) জানায়, প্রবল বৃষ্টির ফলে ভেরাক্রুজ, পুয়েবলা, হিদালগো, কুয়েরেতারো এবং সান লুইস পোতসি রাজ্যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা পানিবন্দী মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে দিনরাত কাজ করছেন।

প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শেইনবাউম জানিয়েছেন, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ রাজ্যের গভর্নরদের সঙ্গে তিনি জরুরি ত্রাণ তৎপরতা সমন্বয়ের জন্য ভার্চুয়াল বৈঠক করেছেন। তিনি বলেন, “কোনো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা ছাড়া রাখা হবে না। ফেডারেল সরকারের টিম ও কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে দুর্গত এলাকায় পৌঁছেছেন রাস্তা পরিষ্কার ও ত্রাণ বিতরণে সহায়তা করতে।”

আরও পড়ুন : আজ থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু

স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, বন্যার ফলে হাজার হাজার মানুষ বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছেন। পানিতে তলিয়ে গেছে অসংখ্য ঘরবাড়ি ও সড়কপথ। দেশটির সাম্প্রতিক ইতিহাসে এটিকে অন্যতম ভয়াবহ বন্যা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রশাসনের আশঙ্কা, পাহাড়ি ঢলে ভূমিধসের ঝুঁকি এবং নদীর পানি উপচে পড়ার কারণে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে। অনেক এলাকায় এখনো ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে, ফলে উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

মেক্সিকোতে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪

সর্বশেষ আপডেট : ১০:৫৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

মেক্সিকোতে টানা ভারী বৃষ্টিপাতের পর সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় অন্তত ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখন পর্যন্ত ২৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

মেক্সিকোর জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (CNPC) জানায়, প্রবল বৃষ্টির ফলে ভেরাক্রুজ, পুয়েবলা, হিদালগো, কুয়েরেতারো এবং সান লুইস পোতসি রাজ্যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা পানিবন্দী মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে দিনরাত কাজ করছেন।

প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শেইনবাউম জানিয়েছেন, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ রাজ্যের গভর্নরদের সঙ্গে তিনি জরুরি ত্রাণ তৎপরতা সমন্বয়ের জন্য ভার্চুয়াল বৈঠক করেছেন। তিনি বলেন, “কোনো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা ছাড়া রাখা হবে না। ফেডারেল সরকারের টিম ও কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে দুর্গত এলাকায় পৌঁছেছেন রাস্তা পরিষ্কার ও ত্রাণ বিতরণে সহায়তা করতে।”

আরও পড়ুন : আজ থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু

স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, বন্যার ফলে হাজার হাজার মানুষ বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছেন। পানিতে তলিয়ে গেছে অসংখ্য ঘরবাড়ি ও সড়কপথ। দেশটির সাম্প্রতিক ইতিহাসে এটিকে অন্যতম ভয়াবহ বন্যা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রশাসনের আশঙ্কা, পাহাড়ি ঢলে ভূমিধসের ঝুঁকি এবং নদীর পানি উপচে পড়ার কারণে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারে। অনেক এলাকায় এখনো ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে, ফলে উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে।