১১:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

এক ইলিশ ৬ হাজারে বিক্রি

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:০৭:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫
  • 65

কক্সবাজারের টেকনাফে ২ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ ৬ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ সময় মাছটি একনজর দেখার জন্য অনেকেই ভিড় করেন।

শনিবার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়া-সংলগ্ন নাফ নদীতে জেলে মোহাম্মদ আলীর (৩৮) জালে ধরা পড়ে মাছটি।

টেকনাফ জালিয়াপাড়ার বাসিন্দা ফজর রহমানের ছেলে ব্যবসায়ী আলী হোসেন (৪০) মাছটি কিনে নেন। বৈশাখ উপলক্ষ্যে ইলিশের চাহিদা বাড়লেও দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। বাজারে অনেক ক্রেতা দাম শুনে ইলিশ না কিনেই ফিরে গেছেন।

মাছ ব্যবসায়ী আলী হোসেন বলেন, পহেলা বৈশাখ সামনে রেখে ছোট-বড় ইলিশ চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। এত বড় ইলিশ সচরাচর দেখা যায় না। অনেক দিন পর বড় ইলিশের দেখা মিলেছে।

ব্যবসায়ী আলী হোসেন জানান, তিনি সামান্য লাভ করে মাছটি ৭ হাজার টাকায় বিক্রি করবেন বলে আশা করছেন।

জেলে মোহাম্মদ আলী বলেন, নাফ নদীতে অনেক দিন পর মাছ ধরার উদ্দেশ্যে জাল ফেলি। এ সময় বড় একটি মাছ জালে ধরা পড়ে। বড় মাছের চাহিদা বেশি, দামও ভালো। নদীতে এমনিতেও এখন বেশি মাছ মিলছে না। তবে বড় মাছ পাওয়ার আনন্দ অনেক বেশি। পয়লা বৈশাখ সামনে রেখে ইলিশের চাহিদা বেড়েছে।

এ বিষয়ে টেকনাফ নাইথ্যংপাড়া বোট মালিক সমিতির সভাপতি গুরা মিয়া বলেন, আমরা যদি নাফ নদীতে রাতদিন মাছ ধরার সুযোগ পেতাম আরও বড় ইলিশ এবং বড় মাছগুলো পেতাম। আবার অন্যদিকে আরাকান আর্মির ভয়ে আমরা নাফ নদীতে মাছ ধরতে পারি না। এখনও আমাদের ১১ জন জেলেসহ দুটি ট্রলার তাদের হাতে আটক রয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, এটি আসলেই ভালো খবর। এ আকারের মাছ মূলত গভীর সমুদ্রে থাকে, নাফ নদীতে পলির কারণে গভীরতা কমে যাচ্ছে। তাই মোহনা খনন করলে মাছ আরও বেশি ধরা পড়বে।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

এক ইলিশ ৬ হাজারে বিক্রি

সর্বশেষ আপডেট : ০৩:০৭:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫

কক্সবাজারের টেকনাফে ২ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ ৬ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ সময় মাছটি একনজর দেখার জন্য অনেকেই ভিড় করেন।

শনিবার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়া-সংলগ্ন নাফ নদীতে জেলে মোহাম্মদ আলীর (৩৮) জালে ধরা পড়ে মাছটি।

টেকনাফ জালিয়াপাড়ার বাসিন্দা ফজর রহমানের ছেলে ব্যবসায়ী আলী হোসেন (৪০) মাছটি কিনে নেন। বৈশাখ উপলক্ষ্যে ইলিশের চাহিদা বাড়লেও দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। বাজারে অনেক ক্রেতা দাম শুনে ইলিশ না কিনেই ফিরে গেছেন।

মাছ ব্যবসায়ী আলী হোসেন বলেন, পহেলা বৈশাখ সামনে রেখে ছোট-বড় ইলিশ চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। এত বড় ইলিশ সচরাচর দেখা যায় না। অনেক দিন পর বড় ইলিশের দেখা মিলেছে।

ব্যবসায়ী আলী হোসেন জানান, তিনি সামান্য লাভ করে মাছটি ৭ হাজার টাকায় বিক্রি করবেন বলে আশা করছেন।

জেলে মোহাম্মদ আলী বলেন, নাফ নদীতে অনেক দিন পর মাছ ধরার উদ্দেশ্যে জাল ফেলি। এ সময় বড় একটি মাছ জালে ধরা পড়ে। বড় মাছের চাহিদা বেশি, দামও ভালো। নদীতে এমনিতেও এখন বেশি মাছ মিলছে না। তবে বড় মাছ পাওয়ার আনন্দ অনেক বেশি। পয়লা বৈশাখ সামনে রেখে ইলিশের চাহিদা বেড়েছে।

এ বিষয়ে টেকনাফ নাইথ্যংপাড়া বোট মালিক সমিতির সভাপতি গুরা মিয়া বলেন, আমরা যদি নাফ নদীতে রাতদিন মাছ ধরার সুযোগ পেতাম আরও বড় ইলিশ এবং বড় মাছগুলো পেতাম। আবার অন্যদিকে আরাকান আর্মির ভয়ে আমরা নাফ নদীতে মাছ ধরতে পারি না। এখনও আমাদের ১১ জন জেলেসহ দুটি ট্রলার তাদের হাতে আটক রয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, এটি আসলেই ভালো খবর। এ আকারের মাছ মূলত গভীর সমুদ্রে থাকে, নাফ নদীতে পলির কারণে গভীরতা কমে যাচ্ছে। তাই মোহনা খনন করলে মাছ আরও বেশি ধরা পড়বে।