বছরের প্রথম সুপার মুন আগামী ৬ অক্টোবর দেখা যাবে। এ সময় চাঁদ তার কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে পৃথিবীর খুব কাছে চলে আসবে। এতে চাঁদ স্বাভাবিকের তুলনায় বড় এবং উজ্জ্বল দেখা যাবে।
জ্যোর্তিবিজ্ঞানের ভাষায়, এ সময়ের সুপারমুনকে ‘হার্ভেস্ট মুন’ বলা হয় যা প্রতি বছর শরৎকাল শুরুর কাছাকাছি সময়ে দেখা যায়। চলতি বছর পরপর তিনটি সুপারমুন দেখার সুযোগ মিলবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময়ের পূর্ণিমার চাঁদকে বড়, সোনালি-কমলা রঙের ও উজ্জ্বল মনে হয়, বিশেষ করে যখন এটি দিগন্তরেখার কাছাকাছি অবস্থান করে। হার্ভেস্ট মুনের এই চাঁদ অন্যান্য সময়ের চেয়ে তাড়াতাড়ি ওঠে এবং তা একাধিক রাত আকাশে দৃশ্যমান থাকে। সন্ধ্যার সময় এটি অনেক বেশি উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুন : চন্দ্রগ্রহণে মুসলমানদের করণীয় কী?
হার্ভেস্ট মুনের নামকরণ এসেছে ইতিহাস ও কৃষির সঙ্গে জড়িত একটি প্রেক্ষাপট থেকে। প্রাচীনকালে যখন বিদ্যুৎ ছিল না, তখন কৃষকরা এই চাঁদের আলোয় ফসল কাটার কাজ করতেন। যেহেতু এই সময়ের চাঁদ বেশি আলো দিত তাই একে ‘হার্ভেস্ট মুন’ বলা হয়।
জ্যোতির্বিদদের ধারণা, দক্ষিণ এশিয়ার আকাশে ৬ ও ৭ অক্টোবর দুই রাতই এই সুপারমুন দেখা যেতে পারে। বাংলাদেশের আকাশ থেকেও এই চাঁদ দেখা যাবে।
প্রসঙ্গত, সুপারমুন দেখার জন্য বিশেষ কোনো যন্ত্রপাতির প্রয়োজন নেই। এটি খালি চোখেই উপভোগ করা যায়।
ঢাকা ডেস্ক 









