আর্জেন্টিনায় তিন তরুণীকে অকল্পনীয় নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে। আরও ভয়াবহ বিষয় হলো, হত্যার ঘটনাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। এ মর্মান্তিক ঘটনার পর বুয়েনস আইরেসসহ দেশজুড়ে নেমে এসেছে নিন্দার ঝড়, রাস্তায় নেমে বিচার দাবি করছেন হাজারো মানুষ।
পুলিশ জানায়, পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বুয়েনস আইরেসের একটি বাড়ির উঠান থেকে ২০ বছর বয়সী মরেনা ভার্দি, ব্রেন্ডা ডেল ক্যাস্টিলো এবং মাত্র ১৫ বছর বয়সী লারা গুতিয়ারেজের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহগুলোতে নৃশংস নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন : পদদলিত ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেবেন বিজয় থালাপাতি
স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, হত্যার আগে তরুণীদের আঙুল কেটে দেওয়া হয়, নখ উপড়ে ফেলা হয় এবং বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে প্রায় অচেতন অবস্থায় তাদের শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। পরিবারের সদস্যরা জানান, নির্যাতনের মাত্রা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে মরদেহ শনাক্ত করতেও সমস্যা হয়েছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার রাজধানী বুয়েনস আইরেসে বিক্ষোভকারীরা নিহতদের ছবি হাতে নিয়ে পার্লামেন্ট ভবনের দিকে মিছিল করেন। তাদের দাবি, এটি ‘নার্কো-ফেমিসাইড’—মাদক চক্রের হাতে নারীদের পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
পুলিশ ইতিমধ্যেই তিনজন পুরুষ ও দু’জন নারীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তদন্তে জানা গেছে, ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে পার্টিতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে একটি গাড়িতে ওঠেন ওই তিন তরুণী। পরে তারা বুঝতে পারেন, এটি ছিল একটি ফাঁদ—যা শেষ পর্যন্ত নিয়ে যায় তাদের করুণ মৃত্যুর দিকে।
ঢাকা ডেস্ক 









