১০:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

কেন নিজের নাক ডাকার শব্দ আমরা শুনতে পাই না?

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৩৪:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 125

বর্তমান সময়ে নাক ডাকা একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশে কেউ নাক ডাকলে ঘুম ভাঙা স্বাভাবিক, অথচ যিনি নাক ডাকছেন তিনি নিরবচ্ছিন্ন ঘুম উপভোগ করেন এবং নিজের শব্দ টেরই পান না। কিন্তু কেন এমনটা ঘটে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পেছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক কারণ। ঘুমের সময় শরীর ও মস্তিষ্ক গভীর শিথিল অবস্থায় থাকে। ফলে বাইরের শব্দ মস্তিষ্কে পুরোপুরি প্রবেশ করে না। নাক ডাকার সময় শব্দ তৈরি হলেও ঘুমন্ত অবস্থায় মস্তিষ্ক তা সচেতনভাবে গ্রহণ করতে পারে না।

পালমোনোলজিস্ট জি সি খিলনানি জানান, নাক ডাকা আসলে শ্বাসনালী ও গলা থেকে উৎপন্ন একটি অভ্যন্তরীণ শব্দ। এ কারণে শব্দটি সরাসরি আমাদের কানে পৌঁছায় না। বাইরের শব্দ তুলনামূলকভাবে বেশি জোরে শোনা যায়, তাই আশেপাশের মানুষ বিরক্ত হলেও নাক ডাকানো ব্যক্তি কিছুই বুঝতে পারেন না।

আরও পড়ুন :ধরা পড়ল আড়াই কেজির ‘দানব’ ইলিশ, বিক্রি ১৪ হাজার টাকায়

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, নাক ডাকার তীব্রতা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হয়। কেউ খুব জোরে ও প্রতিধ্বনির মতো নাক ডাকেন, আবার কারও শব্দ থাকে তুলনামূলক হালকা। নরম কণ্ঠস্বরের মানুষ নিজের নাক ডাক শোনার সম্ভাবনা আরও কম থাকে।

তবে নিয়মিত জোরে নাক ডাকা অবহেলার বিষয় নয়। এটি কখনো কখনো স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণ হতে পারে, যা শ্বাসকষ্টের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি স্বাস্থ্যঝুঁকি। তাই, কেউ যদি আপনাকে বারবার নাক ডাকতে বলেও থাকে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

নাক ডাকা একটি অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া, যা ঘুমন্ত অবস্থায় আমরা নিজেরা বুঝতে পারি না। কিন্তু আমাদের আশেপাশের মানুষ সেই শব্দ স্পষ্টভাবে শুনতে পান। তাই এটি নিয়ে সচেতন থাকা ও প্রয়োজন হলে চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

কেন নিজের নাক ডাকার শব্দ আমরা শুনতে পাই না?

সর্বশেষ আপডেট : ০৬:৩৪:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বর্তমান সময়ে নাক ডাকা একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশে কেউ নাক ডাকলে ঘুম ভাঙা স্বাভাবিক, অথচ যিনি নাক ডাকছেন তিনি নিরবচ্ছিন্ন ঘুম উপভোগ করেন এবং নিজের শব্দ টেরই পান না। কিন্তু কেন এমনটা ঘটে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এর পেছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক কারণ। ঘুমের সময় শরীর ও মস্তিষ্ক গভীর শিথিল অবস্থায় থাকে। ফলে বাইরের শব্দ মস্তিষ্কে পুরোপুরি প্রবেশ করে না। নাক ডাকার সময় শব্দ তৈরি হলেও ঘুমন্ত অবস্থায় মস্তিষ্ক তা সচেতনভাবে গ্রহণ করতে পারে না।

পালমোনোলজিস্ট জি সি খিলনানি জানান, নাক ডাকা আসলে শ্বাসনালী ও গলা থেকে উৎপন্ন একটি অভ্যন্তরীণ শব্দ। এ কারণে শব্দটি সরাসরি আমাদের কানে পৌঁছায় না। বাইরের শব্দ তুলনামূলকভাবে বেশি জোরে শোনা যায়, তাই আশেপাশের মানুষ বিরক্ত হলেও নাক ডাকানো ব্যক্তি কিছুই বুঝতে পারেন না।

আরও পড়ুন :ধরা পড়ল আড়াই কেজির ‘দানব’ ইলিশ, বিক্রি ১৪ হাজার টাকায়

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, নাক ডাকার তীব্রতা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হয়। কেউ খুব জোরে ও প্রতিধ্বনির মতো নাক ডাকেন, আবার কারও শব্দ থাকে তুলনামূলক হালকা। নরম কণ্ঠস্বরের মানুষ নিজের নাক ডাক শোনার সম্ভাবনা আরও কম থাকে।

তবে নিয়মিত জোরে নাক ডাকা অবহেলার বিষয় নয়। এটি কখনো কখনো স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণ হতে পারে, যা শ্বাসকষ্টের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি স্বাস্থ্যঝুঁকি। তাই, কেউ যদি আপনাকে বারবার নাক ডাকতে বলেও থাকে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

নাক ডাকা একটি অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া, যা ঘুমন্ত অবস্থায় আমরা নিজেরা বুঝতে পারি না। কিন্তু আমাদের আশেপাশের মানুষ সেই শব্দ স্পষ্টভাবে শুনতে পান। তাই এটি নিয়ে সচেতন থাকা ও প্রয়োজন হলে চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।