ভারতের উত্তরপ্রদেশে পণের টাকা আদায় করতে গিয়ে এক গৃহবধূর জীবনের ওপর ভয়ঙ্কর খেলা খেলেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজন। অভিযোগ উঠেছে, পণের দাবিতে ব্যর্থ হয়ে তারা ওই গৃহবধূকে ঘরে আটকে রেখে সেখানে জীবন্ত সাপ ছেড়ে দেয়। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ভুক্তভোগী নারী।
ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের কানপুর শহরের কলোনেলগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা রেশমার বিয়ে হয় ২০২১ সালে শাহানওয়াজ নামের এক যুবকের সঙ্গে। অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন পণের দাবিতে তাকে নির্যাতন করে আসছিল। এর মধ্যেই কিছুদিন আগে দেড় লাখ টাকা দেওয়া হলেও তারা আরও পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে।
আরও পড়ুন : আবারও ভোজ্যতেলের দাম বাড়লো
পরিবারের চাপ বাড়তে থাকলে একপর্যায়ে রেশমাকে একটি ঘরে আটকে রাখা হয়। পরে শ্বশুর, শাশুড়িসহ পরিবারের কয়েকজন মিলে ঘরে সাপ ছেড়ে দেন বলে অভিযোগ। রাতে সেই সাপের কামড়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন রেশমা। তার আর্তনাদে দরজা না খুলে বরং বাইরে দাঁড়িয়ে হাসাহাসি করেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন।
কোনোভাবে দিদির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারলে তিনি এসে রেশমাকে উদ্ধার করেন এবং হাসপাতালে ভর্তি করান। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনায় রেশমার দিদি থানায় মামলা করেছেন। অভিযোগে স্বামী শাহানওয়াজ, শ্বশুর, শাশুড়ি, ননদ, ভাসুরসহ পরিবারের আরও কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে।
ঢাকা ডেস্ক 









