০৩:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপি একীভূত হওয়ার আলোচনা হচ্ছে

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:৩৩:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 85

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান জানিয়েছেন, গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপি একীভূত হওয়ার ইতিবাচক আলোচনা হচ্ছে। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ কথা জানান।

 

রাশেদ খান বলেন, গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপি একীভূত হওয়ার ইতিবাচক আলোচনা হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া ভেস্তে দেওয়ার প্রচেষ্টাও থেমে নেই। তারুণ্য ঐক্যবদ্ধ হলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন শক্তির নবজন্ম হবে। এই উপলব্ধিবোধ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে থাকা উচিত। প্রণয় হয় উভয় পক্ষের কাছাকাছি আসা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে। এরপর একে অন্যকে ছাড় দেওয়ার মাধ্যমে সেই সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে হয়।

 

 ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, দুটি দলের মধ্যে যে সম্পর্ক তৈরি হতে চলেছে, এটাকে বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব এনসিপি ও গণঅধিকার পরিষদ উভয় দলের নেতাকর্মীদের। সব পক্ষ দায়িত্বশীল আচরণ না করলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বহু মানুষের স্বপ্ন। এনসিপি গঠনের আগেও ঐক্য প্রক্রিয়া নিয়ে প্রচেষ্টা ছিল। নতুনভাবে সেটি আবার আলোচনায়। এবার বাস্তবায়ন না হলে জনগণ আমাদের সব পক্ষকে ধোঁকাবাজ মনে করবে।

 

তার মতে, ন্যায্য ও সাম্যতার ভিত্তিতে একীভূত হওয়ার বিষয়ে গণঅধিকার পরিষদ অত্যন্ত ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছে। এ ক্ষেত্রে দল ও অঙ্গসংগঠনের সবাইকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করার বিষয়ে সচেতন থাকার অনুরোধ করছি।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপি একীভূত হওয়ার আলোচনা হচ্ছে

সর্বশেষ আপডেট : ১২:৩৩:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান জানিয়েছেন, গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপি একীভূত হওয়ার ইতিবাচক আলোচনা হচ্ছে। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ কথা জানান।

 

রাশেদ খান বলেন, গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপি একীভূত হওয়ার ইতিবাচক আলোচনা হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া ভেস্তে দেওয়ার প্রচেষ্টাও থেমে নেই। তারুণ্য ঐক্যবদ্ধ হলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন শক্তির নবজন্ম হবে। এই উপলব্ধিবোধ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে থাকা উচিত। প্রণয় হয় উভয় পক্ষের কাছাকাছি আসা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে। এরপর একে অন্যকে ছাড় দেওয়ার মাধ্যমে সেই সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে হয়।

 

 ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, দুটি দলের মধ্যে যে সম্পর্ক তৈরি হতে চলেছে, এটাকে বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব এনসিপি ও গণঅধিকার পরিষদ উভয় দলের নেতাকর্মীদের। সব পক্ষ দায়িত্বশীল আচরণ না করলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বহু মানুষের স্বপ্ন। এনসিপি গঠনের আগেও ঐক্য প্রক্রিয়া নিয়ে প্রচেষ্টা ছিল। নতুনভাবে সেটি আবার আলোচনায়। এবার বাস্তবায়ন না হলে জনগণ আমাদের সব পক্ষকে ধোঁকাবাজ মনে করবে।

 

তার মতে, ন্যায্য ও সাম্যতার ভিত্তিতে একীভূত হওয়ার বিষয়ে গণঅধিকার পরিষদ অত্যন্ত ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছে। এ ক্ষেত্রে দল ও অঙ্গসংগঠনের সবাইকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করার বিষয়ে সচেতন থাকার অনুরোধ করছি।