১২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

জাকসু নির্বাচনে আরেক কমিশনারের পদত্যাগ ঘোষণা

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 80

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে একের পর এক কমিশনারের পদত্যাগে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে নির্বাচন কমিশনের সদস্য ড. রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধা পদত্যাগের ঘোষণা দেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের সমাজবিজ্ঞান ভবনের নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

এর আগে শুক্রবার রাতে কমিশনের আরেক সদস্য, জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি ও ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক মাফরুহী সত্তার দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। তিনি পদত্যাগের সময় অভিযোগ করেছিলেন, নির্বাচনে সমান সুযোগ বা “লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড” নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন : ৪০ ঘণ্টা পর শেষ হলো জাকসুর ভোট গণনা

ড. স্নিগ্ধাও একই ধরনের অসন্তোষ প্রকাশ করে জানান, ভোট প্রক্রিয়ায় সুষ্ঠু পরিবেশের ঘাটতি ছিল। তিনি দাবি করেন, পদত্যাগ ঠেকাতে তার ওপর চাপ ছিল, তবে শেষ পর্যন্ত নীতিগত অবস্থান থেকেই তিনি দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এদিকে শনিবার দুপুরে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সোহেল আহমেদ নিশ্চিত করেন যে ভোট গণনা শেষ হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ, যেখানে প্রায় ৬৭–৬৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

জাকসুর এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ১১ হাজার ৭৪৩ জন। এর মধ্যে ছাত্রদের ১১টি হলে এবং ছাত্রীর ১০টি হলে ভোটগ্রহণ হয়। বিভিন্ন হলে ভোটার সংখ্যা ভিন্ন হলেও ছাত্রীদের হলে মোট ১৫০টি পদের মধ্যে ৫৯টিতে কোনো প্রার্থী ছিলেন না এবং ৬৭টিতে একক প্রার্থী থাকায় ভোট হয়নি। ফলে মাত্র ২৪টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া দুটি হলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

জাকসু নির্বাচনে আরেক কমিশনারের পদত্যাগ ঘোষণা

সর্বশেষ আপডেট : ০৪:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে একের পর এক কমিশনারের পদত্যাগে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে নির্বাচন কমিশনের সদস্য ড. রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধা পদত্যাগের ঘোষণা দেন। তিনি বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের সমাজবিজ্ঞান ভবনের নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

এর আগে শুক্রবার রাতে কমিশনের আরেক সদস্য, জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি ও ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক মাফরুহী সত্তার দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। তিনি পদত্যাগের সময় অভিযোগ করেছিলেন, নির্বাচনে সমান সুযোগ বা “লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড” নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন : ৪০ ঘণ্টা পর শেষ হলো জাকসুর ভোট গণনা

ড. স্নিগ্ধাও একই ধরনের অসন্তোষ প্রকাশ করে জানান, ভোট প্রক্রিয়ায় সুষ্ঠু পরিবেশের ঘাটতি ছিল। তিনি দাবি করেন, পদত্যাগ ঠেকাতে তার ওপর চাপ ছিল, তবে শেষ পর্যন্ত নীতিগত অবস্থান থেকেই তিনি দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এদিকে শনিবার দুপুরে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক সোহেল আহমেদ নিশ্চিত করেন যে ভোট গণনা শেষ হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ, যেখানে প্রায় ৬৭–৬৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

জাকসুর এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ১১ হাজার ৭৪৩ জন। এর মধ্যে ছাত্রদের ১১টি হলে এবং ছাত্রীর ১০টি হলে ভোটগ্রহণ হয়। বিভিন্ন হলে ভোটার সংখ্যা ভিন্ন হলেও ছাত্রীদের হলে মোট ১৫০টি পদের মধ্যে ৫৯টিতে কোনো প্রার্থী ছিলেন না এবং ৬৭টিতে একক প্রার্থী থাকায় ভোট হয়নি। ফলে মাত্র ২৪টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া দুটি হলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন।