জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম। তিনি ছাত্রদলের ভোট বর্জন নিয়ে বলেছেন, ‘হেরে যাওয়ার ভয়ে যদি কেউ ভোট বর্জন করে, সেটি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত—এ ব্যাপারে আমাদের কিছু করার নেই।’
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাসানী হলের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মাজহারুল দাবি করেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়া চলাকালে এ পর্যন্ত যে কয়েকটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে, তার সবগুলোতেই ছাত্রদলের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।
এদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি হলে। মোট ১১ হাজার ৭৪৭ শিক্ষার্থী ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত রয়েছেন। এবারের নির্বাচনে ১৭৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ভিপি পদে ৯ জন এবং জিএস পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯ জন।
আরও পড়ুন : জাকসু নির্বাচন বর্জন করল ছাত্রদল
ভোটগ্রহণের জন্য ২২৪টি বুথে দায়িত্ব পালন করছেন একজন রিটার্নিং কর্মকর্তা, ৬৭ জন পোলিং কর্মকর্তা ও সমসংখ্যক সহকারী পোলিং কর্মকর্তা। ভোটাররা কেন্দ্রীয় ও হল সংসদ মিলিয়ে ৪০টি আলাদা ব্যালটে ভোট দিচ্ছেন। বিশেষ ওএমআর মেশিনের মাধ্যমে ভোট গণনা করা হবে।
নির্বাচনে ছাত্রদল, বাম সংগঠন, ইসলামী ছাত্রশিবির ও স্বতন্ত্রসহ মোট আটটি প্যানেল অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট’ ভিপি পদে আরিফুল্লাহ আদিব এবং জিএস পদে মাজহারুল ইসলামকে মনোনয়ন দিয়েছে।
অন্যদিকে, ছাত্রদলের প্যানেল থেকে ভিপি পদে শেখ সাদী হাসান ও জিএস পদে তানজিলা হোসেন বৈশাখী লড়ছেন। এছাড়া বিভিন্ন বাম ও স্বতন্ত্র জোটও নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছে।
ঢাকা ডেস্ক 














