দেশজুড়ে সরকারবিরোধী তীব্র বিক্ষোভে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগ করেছেন। সংকটের সাংবিধানিক সমাধানের পথ তৈরি করতেই পদত্যাগ করেছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবাসহ বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ রাজনীতিকের বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে। হামলা করা হয়েছিল রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও।
কাঠমাণ্ডুসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিপুল সংখ্যক তরুণ রাস্তায় নেমে আসে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে সশস্ত্র পুলিশ সদস্যরা। নেপালের বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
সরকারের কঠোর দমন-পীড়নের প্রতিবাদে পদত্যাগ করেন সরকারের পানি সরবরাহ বিষয়ক মন্ত্রী প্রদীপ যাদব।
দেশটির কৃষি ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী রাম নাথ অধিকারী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখকও পদত্যাগপত্র জমা দেন।
আরও পড়ুন : ডাকসু নির্বাচনে জুলাই গণ-অভুত্থানের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি: আবিদুল
নেপালের বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তার কারণে কাঠমাণ্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচল “প্রায় স্থবির” হয়ে গেছে।
ফেসবুক, এক্স (সাবেক টুইটার) বা ইউটিউবের মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো নিষিদ্ধ ঘোষণা করে সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে ‘জেনারেশন z’ বা জেন জি-র ডাকে সোমবার কাঠমান্ডুতে দেশের পার্লামেন্টের সামনে জমায়েতের ডাক দেওয়া হয়েছিল। সেটি ঘিরে বিক্ষোভের শুরু হয়।
ঢাকা ডেস্ক 









