০২:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

ডাকসু নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু

  • ঢাকা ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:১৯:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 104

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে। চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ২০১৯ সালের পর অনুষ্ঠিত হওয়া এ নির্বাচনকে ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

২৮টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রেকর্ড ৪৭১ জন প্রার্থী। এর মধ্যে নারী প্রার্থী রয়েছেন ৬২ জন। অন্যদিকে হল সংসদের ১৩টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১ হাজার ৩৫ জন। মোট ভোটার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন, যার মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৮৭৩ এবং ছাত্রী ভোটার ১৮ হাজার ৯০২ জন।

ভোটগ্রহণ হচ্ছে ৮টি কেন্দ্রের ৮১০টি বুথে। প্রতিটি ভোটারকে ডাকসু ও হল সংসদ মিলিয়ে মোট ৪১টি পদে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। ভোট শেষে তাৎক্ষণিকভাবে গণনা শুরু হবে এবং ফলাফল ঘোষণা করা হবে সিনেট ভবন মিলনায়তনে।

আরও পড়ুন : রাত পোহালেই ডাকসু নির্বাচন, নতুন ভোরের অপেক্ষায় ক্যাম্পাস

ভোট গণনায় প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন (ওএমআর) মেশিন। প্রতিটি কেন্দ্রে বড় এলইডি স্ক্রিনে প্রদর্শিত হবে ফলাফল।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়েছে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা। মোবাইল প্যাট্রল, ডগ স্কোয়াড, সোয়াত টিম, ডিবি, বোম নিষ্ক্রিয়কারী দল, সিসিটিভি মনিটরিং সেলসহ বিশেষায়িত টিম মাঠে কাজ করছে।

আলোচনায় থাকা প্রার্থীদের মধ্যে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির ও বাগছাস সমর্থিত প্যানেল এগিয়ে আছে বলে ধারণা করছেন অনেক শিক্ষার্থী। এছাড়া উমামা ফাতেমা নেতৃত্বাধীন প্যানেল, বামজোট ও বেশ কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীও আলোচনায় রয়েছেন। ভিপি পদে শামীম হোসেন, জিএস পদে আরাফাত চৌধুরী ও এজিএস পদে তাহমীদ আল মুদাসসীর চৌধুরীকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বেশি।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিশেষভাবে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ভোটারদের জন্য রাখা হয়েছে ব্রেইল ব্যালট ব্যবস্থাও।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসে ডাকসু বারবারই দেশীয় রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। তাই এবারের ৩৮তম নির্বাচনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ও আগ্রহ স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সেভ করুন

সর্বাধিক পঠিত

মিরপুরে ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

ডাকসু নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু

সর্বশেষ আপডেট : ০৮:১৯:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে। চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ২০১৯ সালের পর অনুষ্ঠিত হওয়া এ নির্বাচনকে ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ।

২৮টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন রেকর্ড ৪৭১ জন প্রার্থী। এর মধ্যে নারী প্রার্থী রয়েছেন ৬২ জন। অন্যদিকে হল সংসদের ১৩টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১ হাজার ৩৫ জন। মোট ভোটার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন, যার মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৮৭৩ এবং ছাত্রী ভোটার ১৮ হাজার ৯০২ জন।

ভোটগ্রহণ হচ্ছে ৮টি কেন্দ্রের ৮১০টি বুথে। প্রতিটি ভোটারকে ডাকসু ও হল সংসদ মিলিয়ে মোট ৪১টি পদে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। ভোট শেষে তাৎক্ষণিকভাবে গণনা শুরু হবে এবং ফলাফল ঘোষণা করা হবে সিনেট ভবন মিলনায়তনে।

আরও পড়ুন : রাত পোহালেই ডাকসু নির্বাচন, নতুন ভোরের অপেক্ষায় ক্যাম্পাস

ভোট গণনায় প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন (ওএমআর) মেশিন। প্রতিটি কেন্দ্রে বড় এলইডি স্ক্রিনে প্রদর্শিত হবে ফলাফল।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়েছে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা। মোবাইল প্যাট্রল, ডগ স্কোয়াড, সোয়াত টিম, ডিবি, বোম নিষ্ক্রিয়কারী দল, সিসিটিভি মনিটরিং সেলসহ বিশেষায়িত টিম মাঠে কাজ করছে।

আলোচনায় থাকা প্রার্থীদের মধ্যে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির ও বাগছাস সমর্থিত প্যানেল এগিয়ে আছে বলে ধারণা করছেন অনেক শিক্ষার্থী। এছাড়া উমামা ফাতেমা নেতৃত্বাধীন প্যানেল, বামজোট ও বেশ কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীও আলোচনায় রয়েছেন। ভিপি পদে শামীম হোসেন, জিএস পদে আরাফাত চৌধুরী ও এজিএস পদে তাহমীদ আল মুদাসসীর চৌধুরীকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বেশি।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিশেষভাবে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ভোটারদের জন্য রাখা হয়েছে ব্রেইল ব্যালট ব্যবস্থাও।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসে ডাকসু বারবারই দেশীয় রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। তাই এবারের ৩৮তম নির্বাচনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা ও আগ্রহ স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি।