গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর (অব.) এর পদত্যাগ দাবি করেছেন। তার দাবি, সেনাবাহিনী ও পুলিশ তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে, এবং এই হামলায় সেনা সদস্যরা সরাসরি জড়িত। রাশেদ খান বলেছেন, এই ঘটনার জন্য সেনাপ্রধান ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কোনোভাবেই দায় এড়াতে পারবেন না।
শনিবার (৩০ আগস্ট) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নুরুল হক নুরকে দেখতে গিয়ে রাশেদ খান বলেন, “সেনাবাহিনী ও পুলিশের হামলায় আমাদের নেতাকর্মীরা গুরুতর আহত হয়েছেন। বিশেষ করে সেনা সদস্যরা প্রকাশ্যেই হামলা চালিয়েছে। তাদের সেনা আইনে বিচার হওয়া উচিত, গোপনে নয়, প্রকাশ্যে।”
তিনি আরও বলেন, “গতকাল (২৯ আগস্ট) সেনাবাহিনী বুট দিয়ে নুরকে পিষে মারাত্মকভাবে আহত করেছে। যদি লজ্জা থাকে, তাহলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করতে হবে।”
আরও পড়ুন : নুরের শারীরিক অবস্থা শঙ্কাজনক, গঠন করা হলো মেডিকেল বোর্ড
রাশেদ খান লাল শার্ট পরিহিত এক ব্যক্তির হামলা নিয়ে ছড়ানো বিভ্রান্তি প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “শুরুতে বলা হয়েছিল, নুর হামলার শিকার হননি, বরং অন্য কেউ হয়েছেন। এটি পুরোপুরি মিথ্যাচার।”
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অভিযোগ করেন, “পুলিশ ও সেনাবাহিনী আমাদের অফিসে হামলা চালিয়েছে এবং নেতাকর্মীদের ব্যাপকভাবে মারধর করেছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা এই বিষয়ে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। হামলায় জড়িত সেনা সদস্যদের সেনা আইনে বিচার হওয়া উচিত।”
এছাড়া, রাশেদ খান দাবি করেন, সেনাবাহিনীকে পুলিশ বা প্রশাসন কেউ ডাকেনি, অথচ তারা নিজেরাই পরিকল্পিতভাবে এসে হামলা চালায়।
ঢাকা ডেস্ক 









